আবার প্রমাণ করলেন তিনিই রাজা। আন্দ্রেয়াজ ক্রিশ্চেনসেনের ভুলের সুযোগ নিয়ে শেষমেশ দ্য ব্লুজ-দের বিরুদ্ধে গোল খরা কাটালেন লিওনেল মেসি৷ একই সঙ্গে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে উইলিয়ান শো মাটি করলেন এলএম টেন৷ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মঙ্গলবারের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। পরাজয়কে ড্র করতে পারাটা ছিল বার্সার জন্য জয়ের মতোই আনন্দময়। আর ৯ ম্যাচ পর চেলসির বিরুদ্ধে গোল করতে পারাটা আরো বেশি খুশির খবর ছিল।

মঙ্গলবারের খেলার বিচারে প্রকৃত অর্থে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় বাছতে বসলে মেসির থেকেও এগিয়ে রাখতে হয় উইলিয়ানকে৷ তবে ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলে দেন এলএম টেনই৷ একটা সুযোগ এবং একটা গোল৷ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম লেগের প্রি-কোয়ার্টারে বার্সেলোনাকে অ্যাডভান্টেজ এনে দেয় সুযোগ সন্ধানী আর্জেন্টাইন তারকাই৷

উইলিয়ানের গোলে পিছিয়ে পড়লেও কাতালান ক্লাবকে সমতায় ফিরিয়ে মেসিই ফিরতি ম্যাচে ন্যু ক্যাম্পে স্বাগত জানিয়ে রাখেন চেলসিকে৷ বলাবাহুল্য, মেসির অ্যাওয়ে গোলের সুবাদেই ফিরতি লেগে বার্সেলোনা ফেভারিট নিজেদের ডেরায়৷ যদিও মেসি আতঙ্ক নীল বাহিনীকে স্বস্তিতে থাকতে দেবে না পাল্টা লড়াইয়েও৷

প্রথমার্ধে দু-দু’বার উইলিয়ানের দূরপাল্লার শট পোস্টে প্রতিহত হয়৷ শেষ পর্যন্ত তৃতীয়বারের চেষ্টায় বার্সার জাল খুঁজে পায় উইলিয়ানের শট৷ ৬২ মিনিটে হ্যাজার্ডের পাস থেকে গোল করেন তিনি৷ ৭৫ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রাখলেও ক্রিশ্চেনসেনের একটা ভুলই জয়ের সম্ভাবনা দূর করে দেয় চেলসির৷

নিজেদের বক্সে ক্রিশ্চেনসেনের ভুল পাস ইনিয়েস্তাকে মেসির জন্য গোলের রাস্তা তৈরি করে দিতে প্রলোভিত করে৷ ইনিয়েস্তার কাছ থেকে বল ধরে চেলসির বিরুদ্ধে প্রথমবার গোল করার নজির গড়েন লিও৷ ৯ ম্যাচে চেলসির গোল পোস্ট লক্ষ্য করে ৩০টি শট নেয়ার পর অবশেষে সাফল্য পান তিনি৷ ৭৩০ মিনিট মাঠে থাকার পর শেষমেশ চেলসির গোলমুখ খুলতে সক্ষম হন মেসি৷ আর কোনো দলই মেসিকে এত দীর্ঘ সময় গোল করা থেকে আটকাতে পারেনি৷

ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনও গোল না হওয়ায় ১-১ গোলের সমতায় ম্যাচ শেষ হয়৷ সুতরাং আগামী ১৪ মার্চ ন্যু ক্যাম্পে মেসিরা মানসিকভাবে এগিয়ে থেকে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করার লড়াইয়ে নামবে৷

আরও পড়ুনঃ   ‘বল টেম্পারিং’ দেখেছেন, ‘বেলস টেম্পারিং’ শুনেছেন?

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

1 × 3 =