শেখ নোমান:

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর অবরোধ আরোপ করলে খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির নেত্রী অং সান সু চির মুখপাত্র জাও হতাই। ৩ নভেম্বর শুক্রবার তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর প্রকাশ করে।

০২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের ওপর ফের অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটররা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত অবরোধের ফলে সেনা কর্মকর্তারা ওয়াশিংটন সফর করতে পারবে না এবং মিয়ানমারে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তাও বন্ধ হয়ে যাবে।

সু চির মুখপাত্র বলেন, ‘দেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা দরকার। আন্তর্জাতিক অবরোধের ফলে ভ্রমণ, ব্যবসা এবং বিনিয়োগে সরাসরি প্রভাব পড়বে। এছাড়া আরও খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে’।

১৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের মিয়ানমার সফরের কথা রয়েছে। তখন মিয়ানমারের কর্মকর্তারা রাখাইনে সহিংসতা নিয়ে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরবেন বলে জানান এই মুখপাত্র।

জাও হতাই বলেন, ‘তিনি এখানে এলে আমরা কি করছি তা তুলে ধরব। আমরা তাকে বলতে পারি না, ওটা করবেন না। যুক্তরাষ্ট্রের নীতি কি তাও আমারা জানি না।’

জাও হতাই আধা সামরিক প্রশাসনে শুরু থেকেই আছেন। তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী মিয়ানমারের অগ্রগতিতে সবসময় সংযুক্ত থাকবে। দেশের পুনর্গঠনের কাজ সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টতার প্রয়োজন আছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর হামলা চালায়। এর পর থেকে ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক মহল থেকে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গনহত্যার অভিযোগ আনা হয়। এরই প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের ওপর নতুন করে অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   জাতিসঙ্ঘে জেরুসালেম প্রস্তাবে ভেটো যুক্তরাষ্ট্রের

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

19 − eleven =