সামিউল ইসলাম শোভন:

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচটিতে জিতেছিল রংপুর রাইডার্স। এরপর আরও তিনটি ম্যাচ খেলেছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। কিন্তু জয়ের মালা ওঠেনি গলায়। সেই বৃত্ত কাটিয়ে সোমবার দ্বিতীয় জয়ের দেখা পেল আকাশি-কালো জার্সিধারীরা। সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে সাত রানের জয় তুলে নিয়েছে এই ম্যাচের আগ পর্যন্ত পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা রংপুরের দলটি।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ক্রিস গেইল-ব্রেন্ডন ম্যাককালামের ঝড়ো ৮০ রানের জুটিতে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১৭০ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় রংপুর রাইডার্স। জবাবে দেশের একমাত্র টি-টোয়েন্টি স্পেশালিষ্ট সাব্বির রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ১১৫ রানের জুটি গড়েও জয় ছিনিয়ে আনতে পারেননি ৫০ রানে অপরাজিত থাকা সিলেটের অধিনায়ক নাসির হোসেন। ২০ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে ১৬২ রানে থেমে যায় সিলেটের লড়াই।

ইনিংসে সিলেটের পক্ষে ব্যাট হাতে সাব্বিরের ৪৯ বলে ৭০ রানের ঝড়ো ইনিংসটিই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত। এছাড়া নাসিরের ইনিংসটিও জয়ের পথ দেখাচ্ছিল সিলেটকে। শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনার ম্যাচে মাশরাফির অভিজ্ঞতা আর রণকৌশলের কাছেই যেন হার মানল নাসিরের দল।

সিলেটের বিপক্ষে বল হাতে মাশরাফি, সোহাগ গাজী, থিসারা পেরেরা ও রুবেল হোসেন প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে দুই ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও ক্রিস গেইলের ব্যাটে ভাল শুরু পায় মাশরাফির রংপুর। ওপেনিং জুটিতেই ৮০ রান এনে দেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ম্যাককালাম ও উইন্ডিজ ব্যাটিং দৈত্য গেইল। ব্যক্তিগত ৩৩ রানের মাথায় সিলেট সিক্সার্সের অধিনায়ক নাসির হোসেনের ঘূর্ণি বলে ক্যাচ আউটের ফাঁদে পড়ে ম্যাককালাম সাজঘরের ফিরলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে শুরু করে রংপুর। আট রানের ব্যবধানে পেসার আবুল হাসান রাজুর বলে আউট হন শাহরিয়ার নাফীস। ৩৯ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলে সেই রাজুর বলেই বোল্ড হন গেইল। পরের ইনিংসজুড়ে উল্লেখ করার মতো ইনিংস খেলেছেন শুধুমাত্র উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন (২৫) ও ইংলিশ অলরাউন্ডার রবি বোপারা (২৮)।

আরও পড়ুনঃ   নু ক্যাম্পের যাত্রার পর স্টেডিয়ামটির ইতিহাসে এটা ছিল ৪০০০তম গোল!

বল হাতে রাজু দুইটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া নাসির হোসেন, টিম ব্রেসনান ও লিয়াম প্ল্যাঙ্কেট প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

ten − six =