বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকেই ফের রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটির সংসদীয় বোর্ডের সভায় আজ বুধবার রাতে তাকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়। ফলে জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীই দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি হতে চলেছেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বুধবার রাত ৮টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভা শুরু হয়। সংসদীয় বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় উপস্থিত সদস্যদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে আবদুল হামিদকেই আগামী মেয়াদের জন্য প্রার্থী করা হয়। যে কারণে প্রার্থী করা হলো তাকে দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগ চায় ক্ষমতার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে। নির্বাচনকালীন সরকারে প্রধানমন্ত্রী শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবেন। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কোনো ক্ষমতা থাকবে না। এসময় রাষ্ট্রপতির পদটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো রাষ্ট্রপতির অধীনে। ফলে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আবদুল হামিদ আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত সৈনিক। এই কারণে তাকেই প্রার্থী করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ও ভোট নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে ৫ ফেব্রুয়ারি। এদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। মনোনয়নপত্র যাছাই-বাছাই হবে ৭ ফেব্রুয়ারি। আর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি। ১৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট হবে। আবদুল হামিদ ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিলে। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান রয়েছে। সে হিসেবে তফসিল ঘোষণা করে ইসি।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   রিট করেছে বিএনপি, দোষ পড়েছে আওয়ামী লীগের : ওবায়দুল কাদের

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

thirteen − eleven =