সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্প ধারা বাংলাদেশ’র প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, যেভাবে হত্যা গুম বেড়েছে তাতে আমরা আর নিরাপদ নই। তিনি সকলকে ঐকবদ্ধ হয়ে এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোল আহবান জানান।

বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ৩ দলের সমাবেশে তিনি একথা বলেন। ৩ দলের মধ্যে রয়েছে বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, জাতীয় সমাজতান্তিক দল-জেএসডি ও নাগরিক ঐক্য।

এতে বি চৌধুরী আরো বলেন, এ বয়সেও আমাকে রাজপথে নামতে হয়েছে। কেননা ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না যদি এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে চুপচাপ বসে থাকি। তিনি বলেন, আমরা বয়স হয়েছে। জীবনে কখন কী হয় জানি না। তাই বলতে চাই যাওয়া আগে একটি সুন্দর বাংলাদেশ দেখতে চাই। লুটপাটের বাংলাদেশ দেখতে চাই না। তিনি বলেন, দুঃখ লাগে যখন শুনি মানুষ যখন বলে পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা, চালের কেজি আশি- এমন বাংলাদেশ তো দেখতে চাই না। তিনি বলেন, এসরকার কীভাবে জনগণে টাকা লুট করছে তা দেশবাসী জানে,এ ব্যাপারেতো চুপ থাকা যায় না। তিনি বলেন, সারা দেশে খুন, গুম হত্যা ধর্ষণে ছেয়ে গেছে। এগুলো দেখে এখন লজ্জ্বায় মাথা হেট হয়ে যায়। তিনি প্রশ্ন করেন সরকারের কী এসব দেখে লজ্জ্বা লাগে না। তিনি প্রশ্ন করে জানতে চান এদের কি মা বোন নেই? তিনি বলেন, যারা নাবালক শিশুকে ধর্ষণ করছে তারা গর্হিত কাজ করছে। এদের শাস্তি হিসাবে মৃত্যুদণ্ডই পাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, এধরণের অপরাধীদের যেন রাষ্ট্রপতি কখনও ক্ষমা না করে সেব্যাপারে সংবিধানে বিধান রাখতে হবে।

বি চৌধুরী বলেন, এসরকার সংবেদনশীল সরকার না। এরা জনগণের দুঃখ বোঝে না। তিনি বলেন, কারো বেতন বেড়ে যাওয়ার কারণে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। বাড়ানো হয়ে ঘুষ খাওয়ার জন্য।

জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, সরকারের পদত্যাগ ছাড়া আমরা ঘরে ফিরছি না। তিনি বলেন, বিদ্যুতের দাম কমাতে সরকার বাধ্য করা হবে। তিনি বলেন, দাম না কমালে সরকারের ভাগ্যে কি আছে তা তাদের জানা নেই।

নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, দেশে তুঘলকি কান্ড চলছে। সমাবেশে বিকল্প ধারা বাংলাদেশ এর মহাসচিব মেজর(অব:) আবদুল মান্নান ও জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে থেকে জেএসডি এবং নাগরিক ঐক্যের পক্ষ থেকে বিদ্যুতের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার ও চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমানোর দাবিতে সিপিবি, বাসদ ও বাম মোর্চা আহূত আগামী ৩০ নভেম্বর অর্ধদিবস হরতালের সংহতি জানান হয়।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

4 + 5 =