বাংলাদেশ ও ভারত স্থানীয় দাবি বিবেচনা করে দু’দেশের অভিন্ন সীমান্তে আরো বেশি সংখ্যক সীমান্ত হাট বসাতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।
রাজধানীর একটি হোটেলে বৃহস্পতিবার সমাপ্ত দ’ুদিনব্যাপী বাংলাদেশ-ভারতের সচিব পর্যায়ের এক বৈঠকে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু বৈঠকে ১৮ সদস্য বিশিষ্ট এতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন এবং ভারতের বাণিজ্য সচিব রিতা তিওতিয়া তার দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। এর আগে ২০১৬ সালের নভেম্বরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে দু’দেশের মধ্যে সর্বশেষ বাণিজ্য সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে বর্তমানে চালু থাকা চারটি সীমান্ত হাটের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে আরো ছয়টি সীমান্ত হাট বসানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকটি অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দু’দেশের মধ্যে বিরাজমান বর্তমান পরিস্থিতি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে ভারত দু’দেশের মধ্যে সার্বিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।
উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত স্থল বন্দরগুলোতে দ্রুত মালামাল খালাস নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে বন্দরগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সম্মত হয়।
এছাড়া, ভারতীয় পক্ষের অনুরোধে বাংলাদেশ পক্ষ জানায় যে, বাংলাদেশের স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের আরো রফতানিযোগ্য পণ্য অনুমোদনের প্রস্তাব নিরীক্ষাধীন রয়েছে।
বাংলাদেশ তৃতীয় দেশে পণ্য রফতানিতে ভারতের বিমানবন্দর ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছে। উভয় পক্ষ দু’দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার মাধ্যমে একটি বাণিজ্য-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সিইওজি ফোরাম গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   সম্ভাবনায় স্বরূপকাঠির ডকইয়ার্ড শিল্প- নির্মিত হচ্ছে বাহারি জাহাজ

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 × three =