ইরানের রাজস্ব আয় বন্ধ করার লক্ষ্যে অর্থনৈতিক আধিপত্য ব্যবহার করা এবং জ্বালানি তেলের বাজার নিজের দখলে নেয়ার পরিকল্পনা করছে আমেরিকা। মার্কিন সচিব রিয়ান জিঙ্কি এমন আভাস দিয়েছেন।

আমেরিকার কোম্পানিগুলো ভূগর্ভস্থ শিলাস্তর থেকে তেল উত্তোলনের তৎপরতা বাড়িয়েছে। প্যারিসের জলবায়ু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেয়ার পর থেকেই এ তৎপরতা বাড়ানো হয়। শিলাস্তর থেকে ব্যাপক মাত্রায় তেল উত্তোলনের ক্ষমতার মধ্য দিয়ে দেশটির বিশ্বের তেল রফতানি কারক দেশে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে।

ওয়েবসাইট ‘ওয়াশিংটন একজামিনার’ জানিয়েছে, হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের দেয়া ভাষণে জিঙ্কি বলেন, ইরানের তেল উৎপাদন বন্ধে এবং জ্বালানি ক্ষেত্রে ইরানের আধিপত্য বিনষ্ট করতে আমেরিকা তার অর্থনৈতিক হাতিয়ারের পুরো প্রয়োগ করবে।

ইরানের মতো দেশগুলোর তেলের ওপর যে সব দেশকে নির্ভর করে হয় তাদের নির্ভরতা হ্রাস করতে আমেরিকার আরো তেল রফতানির সক্ষমতা রয়েছে বলে জানান তিনি।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তির কথা উল্লেখ করে ওয়াশিংটনের জন্য তেহরানকে বড় মাপের হুমকি হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি দাবি করেন, সামরিকভাবে নয় বরং অর্থনৈতিকভাবে ইরানকে মোকাবেলা করা উত্তম।

এছাড়া, ইরানের তেল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের যে চুক্তি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা করেছিল তাও বাতিলের চিন্তাভাবনা করছেন ট্রাম্প।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

seven + 18 =