সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ‘কতিপয় বিচারপতি’র বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় অভিযোগ এনেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেছেন, ‘কতিপয় বিচারপতির আদালত চালানোর অব্যবস্থা দ্বারা সমস্ত বিচারালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।
গতকাল নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সুপ্রিম কোর্টে বিরাজমান নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে এক  খোলামেলা ব্যতিক্রমী বক্তব্য রেখেছেন। জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের অনেকে তার কয়েকটি মন্তব্যকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, এমনকি সংবেদনশীল হিসেবেও বর্ণনা করেছেন। ‘সুগন্ধের পরিধি হয় সীমিত, অথচ দুর্গন্ধের পরিধি হয় বিস্তৃত’ মন্তব্য করে তিনি অন্তত ১২টি বিষয়ে নতুন প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার কথায়, ১. সবচেয়ে ভয়াবহ হলো বিশেষ বিশেষ কোর্ট বিশেষ বিশেষ  আইনজীবীর হয়ে গেছে।

বিচারপ্রার্থীদের অনেকে জেনে গেছেন, কোন কোর্টে কাকে নিয়ে গেলে মামলা জেতা যাবে। এটা তো ন্যায় বিচারের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। ২. হাইকোর্টের বিভিন্ন বেঞ্চ সম্পর্কে যা আলোচনা হয়, তা এখানে প্রকাশ করার মতো নয়। কোনো কোনো বেঞ্চে বিচারপতিরা সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তাদের বেঞ্চ অফিসারের ওপর, তারা তাদের প্রভাবে চলেন ৩.  আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি বিরাট অংশ ইতিমধ্যে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন, বাকিদের সততাও টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। কিছু অসাধু কর্মচারী লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। ৪. অনেকে মামলা জিততে বিচারপতিদের সন্তান, স্ত্রী যারা আইনজীবী পেশায় আছেন, তাদের কাছে ছুটছেন। ৫. আদালতের রায় নিয়ে জাল-জালিয়াতি শুরু হয়ে গেছে। ৬. কোনো কোনো বিচারপতি মামলা কজ লিস্টে না এনেই জামিন বা স্থগিতাদেশ দিচ্ছেন। ৭. কিছু মামলার শুনানি হয় না, কিছু হয় রকেট গতিতে। ৮. বিনা নোটিশে মামলা আংশিক শ্রুত হচ্ছে। ৯. পূর্ণাঙ্গ রায় মাসের পর মাস প্রকাশ পাচ্ছে না। ১০. হাইকোর্টে দায়ের করা মামলায় আগে ৭৫ শতাংশে রুল হতো, এখন হয় ৯৯ শতাংশে। ১১. আইনজীবীদের ফোরাম শপিং বন্ধ করা উচিত। ১২.  এ অবস্থা চললে বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।
নিখোঁজ ফাইল: উল্লেখ্য, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই আইন কর্মকর্তা, যিনি আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তিনি স্বীকার করেছেন যে, ‘বেশ কয়েক বছর যাবৎ আমাদের বিচার বিভাগের অবক্ষয় ঘটেছে। সাধারণ জনগণের কাছে এ আদালতের যে ভাবমূর্তি ছিল তাতে পরিবর্তন ঘটেছে।’
মাহবুবে আলম আরো বলেন, ইতিপূর্বে একজন প্রধান বিচারপতিকে এই আদালতে সংবর্ধনা দেয়ার সময় আমি এ আদালতের অবক্ষয়ের কিছু নমুনা তুলে ধরেছিলাম। এবং আমার এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি তদন্তের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন এবং তদন্ত অনেকটা অগ্রসর হয়েছিল। কিন্তু যখন পরবর্তী প্রধান বিচারপতি আসলেন, উনার দপ্তর থেকে সেই ফাইলটি নিখোঁজ হয়ে গেল।
তিনি বলেন, হাইকোর্ট বিভাগের বিভিন্ন বেঞ্চের সম্বন্ধে যেসব আলোচনা হয় তা এখানে প্রকাশ করার মতো নয়। শুধু ভাবি ১৯৭৫ সালে যখন এই আদালতে ঢুকেছিলাম তখন একজন বেঞ্চ অফিসার সম্বন্ধেও কোনোরূপ বিরূপ মন্তব্য শুনিনি। কিন্তু জেনারেল এরশাদের আদালত বিকেন্দ্রীকরণের নামে যখন হাইকোর্টের বিভিন্ন বেঞ্চ ঢাকার বাইরে গেল, আবার অষ্টম সংশোধনী মামলার রায়ের পর যখন ফিরে আসলো, তখন আর সেই আগের অবস্থা রইলো না। আদালত ফিরলেও বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার চোরাবালিতে আটকা পড়লো এ প্রতিষ্ঠান।
রকেট গতি: অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, হয়তো দেখা যায়, চার বছর আগে দায়ের করা মামলা লিস্টে বহালতবিয়তে আছে, অথচ দু’মাস আগে দায়ের করা মামলা চূড়ান্ত শুনানি হয়ে যাচ্ছে। আদালতের কিছু অসাধু কর্মচারী মামলা নিচের থেকে ওঠানোর কাজ করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। কিছু মামলা শুনানি করা যাচ্ছে না। আবার কিছু মামলা শুনানি হয়ে যাচ্ছে রকেট গতিতে। আমরা যখন এই আদালতে ঢুকলাম তখন দেখেছি একটি মামলা শুনানি হয়েছে এবং তার রায় দেয়া হয়েছে সঙ্গে সঙ্গে। কালে-ভদ্রে দু’একটি মামলা রায়ের জন্য সি.এ.ভি করে রাখা হতো এবং আগের মামলার রায় শেষ হওয়ার পরে পরবর্তী মামলাটি ধরা হতো। এখন দেখা যাচ্ছে কোনো কোনো আদালতে বিনা নোটিশে মামলা আংশিক শ্রুত হচ্ছে। অনেক মামলা শুনানির পরও রায় দেয়া হচ্ছে না দিনের পর দিন, মাসের পর মাস। আবার দেখা যায়, মামলার রায় হলেও পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হচ্ছে না মাসের পর মাস।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরো বলেন, এ আদালতে যোগদানের পর দেখেছি সকাল সাড়ে দশটায় ঠিক কাঁটায় কাঁটায় অনেক বিচারপতি এজলাসে বসতেন এবং কোর্টে আসীন হওয়া ও কোর্ট থেকে নেমে পড়ার ব্যাপারে কজ লিস্ট-এ যে সময় দেয়া আছে তার কোনো ব্যত্যয় হতো না। কিন্তু এখন কজ লিস্ট-এর যে সময় ধার্য করে দেয়া হয়েছে তার সঙ্গে বিচারকদের আদালতে ওঠা বা নামার কোনোই সংগতি নেই। এ অবস্থা চললে বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। আমি মনে করি, আদালতের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভেতরে একটি বিরাট অংশ ইতিমধ্যে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন এবং যারা এখনো সৎ আছেন এভাবে চলতে থাকলে তাদের পক্ষেও সততা বজায় রাখা কঠিন হবে।
সবচেয়ে ভয়াবহ: তার কথায়, সবচেয়ে ভয়াবহ যে বিষয়টি, তা হলো, বিশেষ বিশেষ কোর্ট, বিশেষ বিশেষ আইনজীবীর কোর্ট হয়ে গেছে এবং অনেক সময় অনেক সিনিয়র অ্যাডভোকেটের কাছ থেকে ব্রিফ নিয়ে তাদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। বিচারপ্রার্থী ব্যক্তিগণ অনেকে জেনে গেছেন, কোন কোর্টে কাকে নিয়ে গেলে মামলা জেতা যাবে। এটা তো ন্যায় বিচারের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। এ বিষয়ে অনেকেই ছুটছেন বিচারপতিদের সন্তান, স্ত্রী যারা আইনজীবী হিসেবে নিয়োজিত আছেন তাদের দিকে এই চিন্তা করে যে, এদেরকে নিয়ে গেলে হয়তো মামলায় জেতা যাবে। বিচারপতিদের আত্মীয় বা সন্তানরা আগেও এ পেশায় ছিলেন, কিন্তু কখনও এরূপ অবস্থার সৃষ্টি হয়নি, এখন কেন বিচারপ্রার্থীদের আচরণ এরূপ হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা দরকার।
এ বিষয়ে আমি আপনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি এই জন্য যে, আপনার স্ত্রী, যিনি আমাদের দেশের প্রথম ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ ও পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র সচিব তার কন্যা এবং তিনিও এ কোর্টের একজন আইনজীবী। কিন্তু আপনি আপনার ভাবমূর্তিতে কোনোরূপ দাগ পড়ুক তা চিন্তা করে তাকে আদালতে আইন পেশা করতে দেননি এবং তিনিও আপনার ভাবমূর্তিকে সমুন্নত রাখার জন্য নিজের পেশাগত জীবনকে বিসর্জন দিয়েছেন। এ জন্য তার প্রতিও আমি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।
হাসাহাসি: তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, কোনো কোনো বেঞ্চে বিচারপতিরা সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়েন তার বেঞ্চ অফিসারের উপরে এবং আইনজীবীদের কথায় তারা কোনো কর্ণপাত করেন না বরং তারা পরিচালিত হন তাদের বেঞ্চ অফিসারদের প্রভাবে। ইতিমধ্যে একজন বিচারপতি অবসরে গিয়েছেন। তার প্রতি মামলার রায়ই ছিল একই রকম বাক্য সমৃদ্ধ এবং অনেকে হাসাহাসি করতেন এই কথা বলে যে, তার হয়ে তার রায় লিখে দিচ্ছে তার বেঞ্চ অফিসার। এছাড়াও তিনি অবসরে যাবার পূর্বে মামলা শুনানির জন্য প্রস্তুত না হওয়া এবং কজ লিস্টে মামলাটি না থাকা সত্ত্বেও রায় প্রদান করেন। কোনো কোনো বিচারপতি মামলা কজ লিস্টে না এনেও জামিন বা স্থগিত আদেশ প্রদান করছেন যা ইতিমধ্যে আপনাদের দৃষ্টিগোচরে এসেছে। এর চেয়ে দুঃখজনক আর কি হতে পারে?
ইতিমধ্যে আদালতের রায় নিয়ে জাল-জালিয়াতি শুরু হয়ে গেছে। আদালত থেকে জামিন দেয়া হয়নি অথচ জামিনের কাগজ তৈরি করে আসামিরা জেল থেকে বেরিয়ে গেছে। কিভাবে ইনফরমেশন টেকনোলজিকে আদালতের কাজে আরো ব্যবহার করা যায়, সে ব্যাপারে নিশ্চয়ই আপনি ব্যবস্থা নেবেন বলে আমরা প্রত্যাশা করি। ফৌজদারি মামলার জামিনের শুনানির ব্যাপারে কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি হয়ে পড়েছে। নিয়ম করা উচিত, যে আদালতে জামিনের জন্য প্রার্থনা করা হবে, সে আদালতে ডিউটিরত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বা সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের কাছে কপি প্রদান করা, যাতে তারা মামলাটির ব্যাপারে আদালতকে সাহায্য করতে পারেন। এখন যে বিধান আছে, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে কপি সার্ভ করা, বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এ বিধান পরিবর্তন হওয়া দরকার।
ইংরেজিতে একটি কথা আছে ফোরাম শপিং অর্থাৎ একটি বেঞ্চে কোনোরূপ প্রতিকার না পেয়ে আইনজীবীরা দরখাস্তটি ফেরত নেন এবং অন্য আদালতে পুনরায় দাখিল করে প্রতিকার নেন। এ ধরনের কার্যকলাপ বন্ধ করা উচিত।
অরাজকতা: যদিও আপিল বিভাগ কর্তৃক বিভিন্ন নামে ঢাকায় ও মফস্বলে জুয়া খেলাকে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরির বয়সসীমা সম্বন্ধে রায় প্রদান করে আপনারা সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তার পরেও হাইকোর্ট বিভাগ থেকে অনুরূপ মামলার রুলনিশি ও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ প্রদান করা হচ্ছে। এ বিষয়ে যদি উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয় তাহলে বিচারক অরাজকতা বৃদ্ধি পাবে।
আপনি বহুদিন যাবৎ চেম্বার জজের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ত্বরিত গতিতে ও সুষ্ঠুভাবে অতি অল্প সময়ের মধ্যে আদেশ প্রদান করেছেন। অনেকেই এই প্রশ্ন তুলেছেন যে, চেম্বার জজে এত মামলা তো আগে দেখা যায়নি। এটা সত্যি এবং এর কারণ হলো আগে হাইকোর্টে বড় জোর ৭৫% মামলায় রুল ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ হতো। কিন্তু এখন প্রায় ৯৯% মামলায় রুল দেয়া হয় এবং কদাচিৎ ফেরত দেয়া হয়। বহু ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ঘোষিত আদেশ ও নির্দেশ লঙ্ঘন করে হাইকোর্ট বিভাগ আদেশ প্রদান করতে থাকে।
আমি ঢালাওভাবে হাইকোর্টের সমস্ত বেঞ্চের জন্য একথা বলছি না। অনেক বিচারকই বিচারকার্য হাতের মুঠোয় রেখেছেন এবং আদালতের কর্মকর্তাগণ তাদের কথামতো কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং সঠিকভাবে ও আইনজীবীদের প্রত্যাশা মতো তারা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কতিপয় বিচারপতির আদালত চালানো অব্যবস্থা দ্বারা সমস্ত বিচারালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। তার কারণ, সুগন্ধের পরিধি হয় সীমিত অথচ দুর্গন্ধের পরিধি হয় বিস্তৃত।
কূটতর্কের পরিসমাপ্তি: অ্যাটর্নি জেনারেল আরো বলেন, ইদানীং ষোড়শ সংশোধনী মামলায় সরকার হেরে গিয়েছে সত্য, আমার বিবেচনায় সরকার হেরেছে, কিন্তু ইতিহাস জিতেছে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে তৎকালীন সরকার যেহেতু চায়নি বিচার হউক, সেজন্য বিচারই শুরু হয়নি। যখন বিচার শুরু হলো, এ আদালতেরই অনেক বেঞ্চ মামলা শুনতে চায়নি এবং সে সময়ে কোনো রায়ে বঙ্গবন্ধুর নামও উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায়ে প্রত্যেক বিচারক বঙ্গবন্ধুকে তার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নামে উল্লেখ করেছেন ও জাতির পিতা হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। ১৯৬৯ সালের গণ-আন্দোলনের সময়ে জনতা বঙ্গবন্ধুকে যে নামে ভূষিত করেছিল, আদালতের রায়ে সে উপাধি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ফলে, আমরা ধরে নিতে পারি, ভবিষ্যতের বিচারপতিগণও বঙ্গবন্ধুকে তার এ নামেই উল্লেখ করবেন এবং এই সর্বোচ্চ আদালত কোনোভাবেই ইতিহাস বিকৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে না। এখানে উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে স্বাধীনতা ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায় এই আদালত দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করেছে যে, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষক এবং এই  রায় ঘোষণার পর থেকে এ বিষয়ে কূটতর্কের পরিসমাপ্তি ঘটেছে।

আরও পড়ুনঃ   সাম্প্রদায়িক মানসিকতার বিস্তার ঘটানো হচ্ছে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

fifteen − 14 =