কুমিল্লার চান্দিনায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে একই পরবারের দুইজনসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও ২০ জন আহত  হন বলে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা হাইওয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ। রবিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার নূরিতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সাতজনের মধ্যে চারজন পুরুষ, দুইজন নারী ও এক শিশু রয়েছে। আহতদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হলেন কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার খলিলপুর গ্রামের বিনামউদ্দিনের ছেলে গোলাপ খান (৬০), স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৫৫), কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার যশপুর গ্রামের ওমান প্রবাসী মো. জসিম উদ্দিন (৩৫), কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্র ও চান্দিনার বামনিখোলা গ্রামের শাহজাহানের ছেলে সুজন (২২)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী তিশা পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি (ঢাকা-মেট্রো-ব-১৫-০৯৩৩) বেপরোয়া গতিতে ছিল। নূরিতলা মোড়ে এসে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলে পাঁচজন নিহত হয়। পরে মারাত্মক আহত অবস্থায় চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক অপর দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া দুর্ঘটনায় আহতের মধ্যে দেবিদ্বারের জয়পুর গ্রামের ওয়ালিউল্লাহ (৩৫) তার ছেলে ইব্রাহীম (৭ মাস), একই উপজেলার শ্রীকাইল গ্রামের রিপন (৪৫), চান্দিনা উপজেলা বাড়েরা গ্রামের সুফিয়াসহ (৪৫) ১০ জনকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

কুমিল্লা হাইওয়ে অতিরিক্ত পুলিশ রহমত উল্লাহ জানান, চালকের বেপরোয়া গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধারে চান্দিনা ফায়ার স্টেশনের কর্মী, চান্দিনা থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ এর পৃথক টিম ও স্থানীয়রা উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 + 5 =