ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, ইরানি জাতি সব সময় শান্তির পক্ষে কাজ করেছে। মজলুমদের রক্ষায় সোচ্চার ভূমিকা রেখেছে। ইরানি জাতি প্রতিরক্ষার জন্য কারও অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন মনে করে না এবং বিশ্বের কোনো শক্তিই ইরানকে তার প্রতিরোধমূলক তৎপরতা থেকে বিরত রাখতে পারবে না। শুক্রবার রাজধানী তেহরানে সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। রুহানি আরও বলেন, ইরান কোন দেশ বা ভূখণ্ডে হামলা চালানোর জন্য সামরিক শক্তি অর্জন করে নি। ইরানের সামরিক শক্তি অর্জনের উদ্দেশ্য হচ্ছে আগ্রাসীদের মোকাবেলায় নিজেকে রক্ষা করা।

তিনি বলেন, ইরানের সমর শক্তি অঞ্চলের অন্য দেশগুলোকেও বৃহৎ শক্তির আগ্রাসন ও সন্ত্রাসীদের হামলা থেকে রক্ষা করবে। ড. রুহানি বলেন, যারা এখন ইরানিদের সঙ্গে ভুল ভাষায় কথা বলছে তারা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সৃষ্টি করে তাদেরকে অর্থ, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তাদের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরাই আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া ও লেবাবনে নিরপরাধ মানুষদেরকে হত্যা করেছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, যারা প্রতিদিনই মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করে চলেছে, মানুষের শান্তি ও স্বাধীনতা হরণের হাতিয়ার হিসেবে অস্ত্র বিক্রি করে যারা গর্ববোধ করছে এবং যারা রক্তপিপাসু ইসরাইলকে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে একমাত্র ইরানি জাতিই রুখে দাঁড়িয়েছে ও মজলুমদের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। ড. রুহানি বলদর্পি দেশগুলোর উদ্দেশে বলেছেন, ” আপনাদের পছন্দ হোক বা না হোক, আমরা ইয়েমেন, সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের মজলুম মানুষদের রক্ষায় কাজ করব এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা আমাদের প্রতিরক্ষা শক্তি বিশেষকরে ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি বৃদ্ধি করব।”

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   জাতিসংঘের অবরোধ উপেক্ষা করে উত্তর কোরিয়াকে গোপনে রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

five × two =