তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতা রোধে চলচ্চিত্রের ভূমিকা তুলনাহীন। চলচ্চিত্রই হতে পারে সাম্প্রদায়িকতা রোধের অন্যতম অস্ত্র।

বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতার একটি হোটেল এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাসানুল হক ইনু এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আজ তিনখানা বোমার ওপর দাঁড়িয়ে আছি। সাম্প্রদায়িকতার বোমা, পারমাণবিক বোমা আর দারিদ্রতার বোমা। আর এই বোমার বিরুদ্ধে আজ হাতিয়ার হতে পারে চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্র মানুষকে সাম্প্রদায়িকতা রোধের হাতিয়ার হতে পারে। চলচ্চিত্র মানুষকে সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী পথ দেখাতে পারে।’

যৌথ প্রযোজনায় বাংলাদেশ ও ভারতের ছবি নির্মাণের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মাণের জন্য নীতিমালা চূড়ান্ত হয়েছে। আমরা আশা করি শিগগির যৌথ প্রযোজনায় ছবি তৈরি করতে পারব।’ তিনি বলেন, কলকাতায় কাল থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হচ্ছে। বাংলাদেশের বড় বড় শহরেও ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎসব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সুমধুর সম্পর্ক। এই সম্পর্ক আরও জোরালো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির দুই দেশ সফরের মাধ্যমে। এতে করে দুই দেশের মধ্যে থাকা নানা সমস্যার জট থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পেরেছি। আমরা মনে করি, এই দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে। আমরা যৌথভাবে সন্ত্রাসবাদ, সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধে সমর্থ হব।’

আগামীকাল বিকেলে কলকাতার নন্দনে চার দিনব্যাপী আয়োজিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করতে কলকাতায় গেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার, দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, সাংবাদিক গৌতম ভট্টাচার্য, সাংবাদিক অভীক দত্ত, বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়, সিপিএম নেতা অঞ্জন বেরা, তৃণমূল কাউন্সিলর রতন দে, সংগীত শিল্পী সৈকত মিত্র প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ   আগুন খেলার শেষ কবে- রোহিঙ্গা সংকট

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

two × four =