জেলায় ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ৪৬ হাজার ৬৯ মে.টন ভূট্টা উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চাষাবাদের হয়েছে ৫ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমি। চাঁদপুরে সাধাণত আলু ফসল ঘরে তোলার সাথে সাথেই ওই জমিতে চাষিরা ভুট্টা চাষ করে থাকে । ফলে তাদের বাড়তি শ্রম, সময় ও অর্থ অপচয় কম হয়ে থাকে।
জেলার মতলবের চরইলিয়ট চর কাসিম, ষষ্টখন্ড বোরোচর, চাঁদপুর সদর সফরমালী, কুমারডুগি, রাজরাজেস্বর, জাহাজমারা, লগ্মীমারা, বাঁশগাড়ি, চিড়ারচর, ফতেজংপুর, হাইমচরের ঈশানবালা, চরগাজীপুর,
মনিপুর, মধ্যচর, মাঝিরবাজার, সাহেববাজার ও বাবুরচর ইত্যাদি এলাকাগুলোতে ভুট্টা চাষ বেশি হচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি চাঁদপুরের সূত্রে জানাযায়, চাঁদপুর সদরে চাষাবাদ হয়েছে ১২০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫০ মে.টন।
মতলব উত্তরে চাষাবাদ হয়েছে ১ হাজার ৭২০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ হাজার ৫ শ’মে.টন। মতলব দক্ষিণে চাষাবাদ হয়েছে ২ হাজার ৩০০হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ১২৬ মে.টন। হাজীগঞ্জে চাষাবাদ হয়েছে ৫৫ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮১ মে.টন।
শাহরাস্তিতে ভুট্টা চাষাবাদ হয়েছে ৫ হেক্টর ও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৪ মে. টন। কচুয়ায় চাষাবাদ হয়েছে ৭৫৫ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৬০৬ মে.টন। ফরিদগঞ্জে চাষাবাদ হয়েছে ৩০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬২ মে.টন। হাইমচরে এবার ভূট্টা চাষাবাদ করা হয়নি বলে জানাযায়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি চাঁদপুরের জেলার সহকারী কৃষিবিদ আবদুল মান্নান জানান, ‘ভুট্টা একটি শর্করা জাতীয় খাবার। দৈনন্দিন জীবনে আমাদের শর্করা জাতীয় খাবার বেশ প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে ভুট্টার গুরুত্ব অপরিসীম
শূধু মানুষেরই নয়; হাঁস,মুরগি ও অন্যান্য গবাদি পশুর খাবার এ ভুট্টা। বিশেষ করে মৎস্য চাষিরাও এটি মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।
তিনি আরো বলেন, এ বছর আবহাওয়ার অনুকূল পরিবেশ থাকলে ,কৃষি বিভাগের উন্নত উৎপাদনের প্রযুক্তি প্রদান, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নত, কৃষিউপকরণ পেতে সহজলভ্যতা, বীজ, সার ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষিবিদদের পরামর্শ, ব্যাংক থেকে কৃষিঋণ প্রদান ইত্যাদি কারণে চাঁদপুরের চাষিরা ব্যাপক হারে ভুট্টা চাষ করছে। আমরা আশা করি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবো।

আরও পড়ুনঃ   সরকার বেসরকারি বিনিয়োগ চায় কক্সবাজারের তিন ট্যুরিজম পার্কে

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

thirteen − 8 =