শুরুতে বসিয়ে রাখা হয়েছিল সবচেয়ে বড় তারকা লিওনেল মেসিকে। তার খেসারত কি বার্সেলোনাকে দিতে হয়েছে? সম্ভবত হয়নি। তিনি নামার পরও ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে। তবে  গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক-আউট পর্বে উঠে গেছে স্প্যানিশ লিগের দলটি।

মঙ্গলাবারের ম্যাচটিতে বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকলেও আক্রমণে তেমন একটা সুবিধা করতে পারেনি এরনেস্তো ভালভেরদের দল।

১৮তম মিনিটে পাওলো দিবালার শট ঠেকান গোলরক্ষক মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন। ২২তম মিনিটে রাকিতিচের ফ্রি-কিকে মাথা বা পা ছোঁয়াতে পারেননি ডি-বক্সে জটলায় থাকা কেউই। বল এক ড্রপ খেয়ে পোস্টে লেগে ফিরে।

ম্যাড়মেড়ে প্রথমার্ধে উল্লেখযোগ্য ঘটনা আর ছিল কেবল ডাইভ দিয়ে পাওলিনিয়োর হলুদ কার্ড দেখা।

৫৬তম মিনিটে জেরার্দ দেউলাফেউয়ের বদলি হিসেবে নামেন মেসি। তবে ম্যাচে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি।

৬৪তম মিনিটে মেসির ফ্রি-কিক ক্রসবারের উপর দিয়ে যায়। চার মিনিট পর নিজে শট না নিয়ে লুইস সুয়ারেসকে বল বাড়াতে গিয়ে আরেকটি সুযোগ নষ্ট করেন লুকাস দিনিয়ে।

যোগ করা সময়ে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড দিবালার আচমকা গড়ানো শট ডানে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত সেভে দলকে শীর্ষে রেখে শেষ ষোলোতে উঠিয়ে দেন টের স্টেগেন।

কাম্প নউয়ে প্রথম লেগে মেসির জোড়া গোলে ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নদের ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল বার্সেলোনা।

‘ডি’ গ্রুপে পাঁচ ম্যাচে বার্সেলোনার পয়েন্ট ১১। তিন পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে শেষ ষোলোতে কাতালান দলটির সঙ্গী হওয়ার লড়াইয়ে আছে ইউভেন্তুস।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

4 × two =