শামীমা সীমা:

পাঁচবছর আগে চিত্রটা ছিল অন্যরকম। ২০১২ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘এক থা টাইগার’। সালমান খান এতে ভারতীয় গুপ্তচর ছিলেন আর ক্যাটরিনা কাইফ ছিলেন পাকিস্তানের গুপ্তচর। দুই দেশের নাগরিকদের প্রেম কাহিনি দেখানো নিয়ে ভারত-পাকিস্তান আপত্তি করেনি। কিন্তু এবার বদলে গেছে প্রেক্ষাপট। ভারতীয় সিনেমায় নিষিদ্ধ হয়েছে পাকিস্তান বিষয়ক সমস্ত কিছু।

এমন সময়ে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘এক থা টাইগার’ সিক্যুয়েল ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’। আবারও পাকিস্তানি গুপ্তচর জোয়ার ভূমিকায় দেখা যাবে ক্যাটরিনাকে। আর এখানেই বেধেছে বিপত্তি। কারণ হিন্দি সিনেমায় পাকিস্তানি নাগরিক দেখানো নিষেধ। তাহলে কি সিনেমা মুক্তি দেবার জন্য এবার ক্যাটরিনার নাগরিকত্ব পাল্টানো হবে?

শুরুটা হয়েছিলো গত বছর সার্জিকাল স্ট্রাইকের সময় থেকে। অসংখ্য ভারতীয় সেনা পাকিস্তানিদের হাতে মারা যায়। তারপর শুরু হয় বিভেদ। ভারতীয় সিনেমায় নিষিদ্ধ হন পাকিস্তানি তারকারা। এমনকি পাকিস্তানের নাগরিক, এমন চরিত্র রাখা যাবে না সিনেমাতে। যেমন করণ জোহরের ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ সিনেমায় প্রথমে আনুশকা ও ফাওয়াদ খান ছিলেন পাকিস্তানি নাগরিক। কিন্তু সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞার কারণে দুজনের নাগরিকত্ব পাল্টিয়ে করা হয় লখনৌয়ের মুসলিম অধিবাসী।

ঠিক তেমনি আলি আব্বাস জাফরের আসন্ন সিনেমায় কি তাহলে ক্যাটরিনার নাগরিকত্ব পাল্টিয়ে দেখানো হবে, এমন প্রশ্ন উঠেছে বলিউডে। সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত সিনেমাটি মুক্তি পাবে আগামী ২২ ডিসেম্বর। ততদিনে ক্যাটরিনাকে পাকিস্তানি থেকে ভারতীয় বানানো হবে কিনা, সেটিই দেখার জন্য অপেক্ষা।

সূত্র: ডেকান ক্রনিকল

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

4 × 1 =