দেশের মাটিতে ভালো করার প্রত্যয় নিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকায় পা রেখেছিল বাংলাদেশ। যদিও বিদেশের মাটিতে ধারাবাহিক সাফল্য নেই তারপরও ভালো দল হয়ে ওঠার বিনিময়ে লড়াইটা আশা করেছিলেন ক্রিকেট ভক্তরা।

কিন্তু সেটির কানাকড়িও হয়নি। প্রতিদ্বন্দ্বিতা দূরের কথা ন্যূনতম লড়াইও গড়ে তুলতে পারেনি টাইগাররা। দুই টেস্টে বাজে হারের পর দুই ওয়ানডেতেও যাচ্ছেতাই অবস্থা। ব্যাটিং মোটামুটি হলেও বোলিং ব্যর্থতা চরম আকার ধারণ করেছে।

ইস্ট লন্ডনের বাফেলো পার্কে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে কাল প্রোটিয়াদের মুখোমুখি হবে মাশরাফিরা। খেলাটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর দুইটায়।

একটি জয়ই যে বাংলাদেশের হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিতে পারে সেটিই শোনা গেল মাশরাফির কণ্ঠে, ঘুরে দাঁড়ানো তো অবশ্যই সম্ভব। বড় পরিসরে দেখলে আমরা সিরিজ হেরেছি। কিন্তু এখান থেকে একটা ম্যাচেও যদি ভালো করে যেতে পারি সেটা আমাদের জন্য বড় অর্জন হবে। এই সব দিক থেকে চিন্তা করলে সবকিছু এখনও ইতিবাচকভাবে নেওয়া যায়। যেহেতু একটা ম্যাচ বাকি আছে আমরা সর্বস্ব দেওয়ার চেষ্টা করবো।

আমি বিশ্বাস করি, এই দলের সামর্থ্য আছে এর চেয়ে অনেক ভালো ক্রিকেট খেলার। এই পরিস্থিতিতে সেটা অনেক কঠিন মনে হচ্ছে। বোলিংয়ে দুটি উইকেট ব্যাটিংয়ে ভালো একটি জুটি দলকে উজ্জীবিত করে। আমাদের তেমন শুরু দরকার হবে।

এই ম্যাচে ওয়ানডেতে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অর্ধশতক পূর্ণ হবে মাশরাফির। মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়েও দলের ভূমিকা নিয়েই ভাবছেন দলপতি,  এখানে মুশফিক একটি সেঞ্চুরি, একটি ফিফটি করেছে, ইমরুল কায়েস ফিফটি করেছে আর দুই জন যদি এমন করতে পারত। আগের দিন রুবেল হোসেন, সাকিব আল হাসান ভালো বোলিং করেছে আর দুই জন যদি দুইটা ব্রেক থ্রু এনে দিতে পারত। তাহলে প্রেক্ষাপট ভিন্ন হতো। কারণ আমরা সব সময় দলীয় পারফরম্যান্সেই জিতেছি।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

four × 2 =