দাবি আদায়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দ্বিতীয় দিনেও শিক্ষকদের আমরণ অনশন চলছে। অনশন চলাকালে আজ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ১৫ জন শিক্ষক অসুস্হ্য হয়ে পড়েন। এদের মধ্যে ১২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে শিক্ষক নেতারা জানান। আহতদের মধ্যে চারজনের নাম পাওয়া গেছে। এরা হলেন, নাছরিন আক্তার, হুমায়ুন কবীর, সিদ্দিকুর রহমন, ও রাশেদ। গতকাল ও আজ নিয়ে মোট ১৮ জন অসুস্থ্য হলেন।  প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে বেতন নির্ধারণের দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা গতকাল শনিবার থেকে শিক্ষক মহাজোটের উদ্যাগে এ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। মহাজোটের অধীনে সহকারী শিক্ষকদের ১০টি সংগঠনের দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিক্ষকরা এক দফা দাবি আদায়ের এ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে পাটি, পত্রিকা বিছিয়ে পৌষের শীতের রাত পার করেছেন এসব শিক্ষকরা।

অনশনকারী শিক্ষকরা জানান, আগের বেতন স্কেলগুলোতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা বেতন পেতেন। কিন্তু ২০১৫ সালের বেতন কাঠামোতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের ব্যবধান তিন ধাপ। এখন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা ১৪তম গ্রেডে (মূল বেতন ১০ হাজার ২০০) বেতন পাচ্ছেন। আর প্রধান শিক্ষকরা পাচ্ছেন ১০তম গ্রেডে (মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা)। সহকারী শিক্ষকরা এ বৈষম্য নিরসনে প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে ১১তম গ্রেডে (১২ হাজার ৫০০) বেতন চান।
অনশন কর্মসূচিতে সহকারী শিক্ষক সমাজ, সহকারী শিক্ষক সমিতি, সহকারী শিক্ষক ফাউন্ডেশন, সহকারী শিক্ষক সমাজ-২, সরকারি সহকারী শিক্ষক সমিতি, সহকারী শিক্ষক সমাজ-৩, সহকারী শিক্ষক সমিতি-২, সহকারী শিক্ষক ফোরাম, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, সহকারী শিক্ষক সমাজ, সহকারী শিক্ষক সমিতি, সহকারী শিক্ষক ফাউন্ডেশন, সহকারী শিক্ষক সমাজ-২, সরকারি সহকারী শিক্ষক সমিতি, সহকারী শিক্ষক সমাজ-৩, সহকারী শিক্ষক সমিতি-২, সহকারী শিক্ষক ফোরাম, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ব্যানারে শিক্ষকরা অংশ নিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ   যাত্রাবাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

20 + 4 =