রাখাইনে চলমান রোহিঙ্গা নিধন বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো। তারা এ বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বিশেষ দায় আছে বলেও মন্তব্য করেছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশের প্রশংসা করে সদস্য রাষ্ট্রগুলো বলেছে, তাদের পাশে সবারই দাঁড়ানো উচিত। সেই সঙ্গে সেখানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের অবিলম্বে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছে তারা। সদস্য রাষ্ট্রগুলো বলেছে, রোহিঙ্গা নির্যাতনের দায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ঘাড়েও নিতে হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নিউ ইয়র্কে নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠক শুরু হয়। রাত ২টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল।

এদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বিশেষ বৈঠককে একরকম বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মিয়ানমারে সেনাবাহিনী ও রাখাইনরা রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘসহ বিশ্বসম্প্রদায়ের বারবার নিন্দা-আহ্বান লাগাতার অগ্রাহ্য করছে তারা। ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া, হেলিকপ্টারে করে আকাশ থেকে গুলিবর্ষণ, নৃশংসভাবে হত্যা, ধর্ষণ, নিপীড়নের ঘটনা থামছেই না। তাণ্ডব থেকে বাঁচতে গতকাল বৃহস্পতিবারও রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশমুখী ঢল অব্যাহত ছিল।

গতকাল দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত শুধু টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ঘাট দিয়েই অন্তত এক হাজার ৬০০ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা টেকনাফের প্রবেশমুখে রোহিঙ্গাদের তথ্য সংগ্রহ করছেন।

গতকাল দুপুর আড়াইটায় সেনাবাহিনীর দুজন সদস্য কালের কণ্ঠকে জানান, তাঁরা সাবরাং এলাকার সড়কের ধারে বসে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা পরিবারের নারী-পুরুষ ও শিশুদের সংখ্যা এবং দলের একজনের নাম লিপিবদ্ধ করে রাখছেন। তারপর হাঁটাপথে তাদের পাঠানো হচ্ছে সাবরাং হারিয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে। সেখানে পৌঁছার পর রোহিঙ্গা পরিবারের হাতে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে। পরে ট্রাকে করে রোহিঙ্গাদের বালুখালী ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

গতকাল এই প্রতিবেদন লেখার সময় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে যখন নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের আয়োজন চলে, তখন মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে জানা যায় তাদের ওপর নির্বিচার গণহত্যা ও নির্যাতন-নিপীড়নের মর্মন্তুদ বর্ণনা।

চোখে-মুখে আতঙ্ক নিয়ে এপারে

আগে যেসব পাড়ায় আগুন দেওয়া হয়নি, এখন সেসব পাড়ায় আগুন দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বুধবার বিকেলে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ফেরদৌস বেগম। তাঁর স্বামী রহমত উল্লাহসহ পরিবারের ৯ সদস্য নিয়ে গতকাল তিনি অপেক্ষা করছিলেন টেকনাফের সাবরাং হারিয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে। সেখানে সেনা তত্ত্বাবধানে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছিল। ত্রাণের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ফেরদৌস এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপের সময় নিজস্ব ভাষায় বলেন, তাঁদের বাড়ি ছিল রাখাইনে মংডুর মন্নিপাড়ায়। তাঁদের পাড়া ঘিরে রাখা হয়েছিল, যাতে কেউ পালিয়ে যেতে না পারে। কিন্তু গত মঙ্গলবার রাতে তাঁদের পাড়ার অদূরে আরেকটি পাড়ায় আগুন দেওয়া হলে তাঁরা পরদিন কৌশলে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন। আসার সময় ওপারে পুরো এক দিন হেঁটেছেন। পরে নাফ নদ পার হয়েছেন জনপ্রতি মিয়ানমারের ৫০ হাজার কিয়াত দিয়ে (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার)।

ফেরদৌস বেগমের স্বামী রহমত উল্লাহ জানান, তিনি সৌভাগ্যবানদের একজন। কারণ ওই দিনও পুরুষদের হত্যা করা হচ্ছিল আর নারীদের ধর্ষণ করা হচ্ছিল। তিনি কোনোমতে পালিয়ে বাঁচতে পেরেছেন।

মংডুর চারমাইল এলাকার নূরজাহানের (৫০) চেহারা ক্লান্তিতে বিধ্বস্ত। তাঁর মুখে জানা যায়, তিনি ১০ দিন ধরে বাংলাদেশে ঢোকার জন্য অপেক্ষা করছিলেন, কিন্তু সুযোগ পাচ্ছিলেন না। এর মধ্যে কয়েক দিন চলে গেছে নাফ নদের তীরে পৌঁছতে। মাঝে দুই দিন নৌকা পাননি তাঁরা। এ কারণে তাঁদের ১৫ জনের দলকে বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

নয়াপাড়া থেকে আরো একটি পরিবার পৌঁছেছে গতকাল ভোরে। এই দলের সদস্যসংখ্যা শিশুসহ ১১ জন। তারাও অপেক্ষা করছিল ত্রাণের জন্য। এই দলের নূর সালমা (৬০) জানান, তাঁদের বাড়ি রাখাইনের নয়াপাড়ায়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে সর্বশেষ আগুন দেওয়া হয়েছে। তখন তাঁরা পালিয়ে এসেছেন। দলের আরেক সদস্য একই পরিবারের আবুল কালাম জানালেন, মিয়ানমার বাহিনী তাঁকে খুঁজছিল। তিনি পালিয়ে ছিলেন। শেষে সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে চলে এসেছেন। মংডু-বলিবাজার রুটের বাসচালক আবুল কালাম আরো জানান, তিনি যে মালিকের বাস চালাতেন, সেটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মালিকের পরিণতি কী হয়েছে তিনি জানেন না।

জাহামাপাড়ার বাসিন্দা আবদুল হামিদ (৬৮) বললেন, তাঁরা সোমবার বাংলাদেশে পালিয়ে আসার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন। তিন দিন গেছে পথে পথে। বৃহস্পতিবার তাঁরা বাংলাদেশে পৌঁছান। এখানে কোথায় থাকবেন, কী করবেন, কী খাবেন কিছুই জানেন না। আসার সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা কিছু মালামাল নিয়ে এসেছে। কিন্তু হাতে নগদ টাকা নেই।

প্রায় অভিন্ন ভাষায় মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ও রাখাইনদের তাণ্ডবের কাহিনী শোনালেন টেকনাফে বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার পালিয়ে আসা সানজিদা আক্তার, আবদুর রহমান, মারজান, দিলদার বেগম, মো. আবদুর রহিম, মোহাম্মদ আলীসহ অনেকেই। তাঁরা জানান, গণহত্যা শুরুর দিকে ওরা তাদের পাড়ায় হানা দেয়নি। এখন নিয়মিতই হানা দিচ্ছে। একেক রাতে একেক পাড়ায় আগুন দেওয়া হচ্ছে। আবদুর রহমান, দিলদার বেগম ও রহিমার ভাষ্য, মঙ্গলবার ও বুধবারও আকাশে হেলিকপ্টার উড়েছে। গ্রামের বাড়ির খুব কাছে এসে এসব হেলিকপ্টার থেকে গুলি করা হয়েছে। গুলিতে একজন মৌলানা মারা যাওয়ার কথা তাঁরা শুনেছেন। তবে তাঁর পুরো নাম-ঠিকানা জানতে পারেননি।

বুধবার রাতেও মিয়ানমারে নাফ নদের আশপাশে হেলিকপ্টার উড়েছে বলে দাবি করেছেন সাবরাং এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা মুদি দোকানি মমতাজ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘ওপারে হেলিকপ্টার উড়লে এপারে শব্দ শোনা যায়। আমি নিজেই শব্দ শুনেছি। আমার মতো গ্রামের অনেকেই শুনেছে। ’

গতকাল সরেজমিনে দেখা গেল, রোহিঙ্গারা দলে দলে শাহপরীর দ্বীপ এলাকা দিয়ে ঢুকছে। তাদের কারো কাঁধে বস্তাভরা জিনিসপত্র। কারো হাতে সোলার প্যানেল। নাফ নদে কিছু নৌকা রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশের সীমানায় আসছে। এসব নৌকার মাঝি বাংলাদেশি। তাদের একজন আবদুর রহমান নিজেকে শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে বলেন, প্রতিজন রোহিঙ্গার কাছ থেকে ৩০-৫০ হাজার কিয়াত আদায় করা হচ্ছে। তবে শিশুদের কাছ থেকে মাঝিরা টাকা নিচ্ছে না। রোহিঙ্গা পরিবারের সঙ্গে কিছু মালামালও থাকছে।

শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় নেমে অটোরিকশা নিয়ে সাবরাং এলাকার দিকে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। সেখানে সড়ক ভাঙা থাকায় কিছু পথ নৌকায় পাড়ি দিতে হচ্ছে। এরপর হাঁটাপথ ধরে সাবরাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে। মূলত এটি একটি আশ্রয়কেন্দ্র। পাশে বড় মাঠ। মাঠের কোনায় শামিয়ানা টানানো হয়েছে। এখানে একদল সেনা সদস্য রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বিতরণ তদারকি করছেন।

মাঠে দেখা গেল, দীর্ঘ লাইনে রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ দাঁড়িয়ে আছে ত্রাণের আশায়। অনেক নারীর কোলে ক্লান্ত শিশুরা প্রায় নিথর ঘুমিয়ে। অনেক নারী ক্লান্ত শরীর নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে না পেরে বসে পড়েছেন। কোলে শিশু কেউ কাঁদছে, কেউ বা ঘুমাচ্ছে। একজনের নাম তৈয়বা। তাঁর কোলে পাঁচ দিন বয়সী একটি শিশু। ওকে নিয়েই তিনি প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন।

ত্রাণ নিতে আসা রোহিঙ্গাদের একটি অংশকে রাখা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্রের নিচতলায়। সেখানে রোহিঙ্গা রয়েছে কয়েক শ। দুপুরে যখন প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হয়, তখনো রোহিঙ্গারা সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল। সবার আনা ত্রাণসামগ্রী সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে দেওয়া হচ্ছে। সেনা সদস্যরা ত্রাণদাতাদের নাম-ঠিকানা লিখে রাখছেন। পরে ত্রাণ দিয়ে রোহিঙ্গাদের ট্রাকে তোলা হচ্ছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছিল সুশৃঙ্খলভাবে।

একাই এলো শিশু খায়রুল আমিন : খায়রুল আমিনের বয়স প্রায় ১২ বছর। তার বাবা রশিদ আহমদকে তিন দিন আগে গুলি করে হত্যা করেছে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী। ওই দিনই ধরে নিয়ে যায় মা খালেদাকে। মা বেঁচে আছে কি না খায়রুল জানে না। তিন ভাইয়ের মধ্যে খায়রুল সবার ছোট। ঘটনার দিন সোমবার সে গিয়েছিল গরু নিয়ে মাঠে। এরই মধ্যে তাদের বাড়ি নয়াপাড়ায় হামলা চলে। বিলে গরু নিয়ে থাকায় সে প্রাণে বেঁচে যায়। মা-বাবাকে হারানোর পর অন্যদের সঙ্গে সেও বাংলাদেশের পথ ধরে। নৌকার মাঝি তাঁর কাছ থেকে টাকা নেয়নি। এখন সেনাবাহিনী তাঁকে ট্রাকে তুলে রোহিঙ্গাশিবিরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। খায়রুল জানে না, সে কোথায় কার কাছে যাচ্ছে। তার পৃথিবীতে আজ কেউ নেই।

২০ লাখ রোহিঙ্গার চোখ জাতিসংঘের দিকে : গতকাল দুপুরে মাথায় তল্পিতল্পা নিয়ে বাংলাদেশে আসেন আব্দুল আমিন (২৭), ওমর ফারুক (২৮) ও নূর বশর (৪০)। আলাপকালে তাঁরা প্রায় একই সুরে বলেন, ‘পৈতৃক ভিটায় থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। অবস্থার পরিবর্তন হবে ভেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলাম। কারণ, পরভূমিতে থাকার চেয়ে নিজেদের ভূমিতে থাকা অনেক ভালো। কিন্তু অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে না এবং দিন দিন অবনতি হচ্ছে দেখে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছি। ’

সদ্য অনুপ্রবেশকারী নূর বশরের কথাবার্তায় শিক্ষিত মানুষের ছাপ। নিজ এলাকার নাম সোয়াটারপাড়া লিখলেন ইংরেজিতে। গতকাল দুপুরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এর আগেও প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা এসেছে। এখন নতুনভাবে এসেছে প্রায় পাঁচ লাখ। ওপারে থাকলেও আমরা এপারের খোঁজখবর পাচ্ছিলাম। এখন বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। আমি নিশ্চিত, ১০ লাখ মানুষের ২০ লাখ চোখ এখন জাতিসংঘের দিকে—নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে যদি কোনো সুখবর আসে। ’

জাতিসংঘের বৈঠকের খবরও কী রাখাইনে বসে পাচ্ছিলেন—জানতে চাইলে নূর বশর বলেন, ‘আমার মোবাইল ফোন আছে। আমি খবর পাচ্ছিলাম। পালিয়ে আসতে চাইনি পরিস্থিতির উন্নতি হবে ভেবে। ’

নূর বশর যখন বলছিলেন রোহিঙ্গাদের ২০ লাখ চোখ বাংলাদেশ থেকে নিউ ইয়র্কের দিকে তাকিয়ে, তখন পাশে বসা হাবিবুর রহমান বললেন, ‘জাতিসংঘ কি পারবে আমাদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য মিয়ানমার সরকারকে বাধ্য করতে? মিয়ানমারের মগরা তো কারো কথাই শুনছে না। তারা রোহিঙ্গাদের মারছেই। ’

বুধবার বাংলাদেশে পালিয়ে আসা হাবিবুর রহমান আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গাপাড়ায় নাকি বাগি (বিদ্রোহী) আছে—এমন অজুহাতে রোহিঙ্গাদের মারা হচ্ছে। আমাদের বলছে, তাদের খুঁজে বের করে দিতে। আমরা বাগি কোথায় পাব?’

জান্নাতুল বেগম নামের এক নারী জানালেন, বাজার থেকে ওষুধ কিনে শিশুদের খাওয়াতে দিচ্ছে না মিয়ানমার বাহিনী। নাতির জন্য ওষুধ কিনতে গিয়ে তিনি খালি হাতে ফিরেছেন। পরে অসুস্থ নাতিকে নিয়েই চলে এসেছেন বাংলাদেশে।

জাতিসংঘের হিসাবেই গত ২৪ ঘণ্টায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ঢুকেছে ২১ হাজার আট শ রোহিঙ্গা। গত রাতে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, গত ২৫ আগস্ট থেকে নতুন করে সহিংসতার মুখে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা চার লাখ ৮০ হাজার থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়ে পাঁচ লাখ এক হাজার আট শ হয়েছে।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

four + 7 =