প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমস্যা যতই জটিল হোক না কেন, আলোচনার মাধ্যমে তার শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে এ কথা বলেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী। ভারতের সঙ্গে ছিটমহল সমস্যা এবং ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমানার বিরোধ নিষ্পত্তির প্রসঙ্গ টেনে এ কথা বলেন তিনি।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠক শুরুর পর প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরসহ গতকালের বৈঠকের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
সরকারদলীয় সাংসদ এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়া সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হত্যা, নিপীড়ন, নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার হয়ে ব্যাপক হারে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করলে আমরা আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে তাদের আশ্রয়, খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা ও সুরক্ষার ব্যবস্থা করেছি। আমরা সব সময়ই মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সুসম্পর্ক বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই ও ন্যায্য সমাধান চাই।’
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নাসিমা ফেরদৌসীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচারকাজ চূড়ান্ত পর্যায় রয়েছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা বর্তমানে যুক্তিতর্ক পর্যায়ে রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। ২৪ জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত ৫২ জন আসামির মধ্যে ১৮ জনের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। বাকি আসামির যুক্তিতর্ক শেষ হলে এ মামলার রায় প্রদানের জন্য দিন ধার্য হবে।
সরকারি দলের গোলাম দস্তগীর গাজীর প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রচেষ্টায় নতুন ৬৮টি দেশসহ ১৬৫টি দেশে কর্মী পাঠানো হচ্ছে। গত নয় বছরে ৫১ লাখ ৯৮ হাজার ৯১৪ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। এর মধ্যে ২০১৭ সালে গেছেন ১০ লাখ ৮ হাজার ৫২৫ জন। নতুনভাবে রাশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   'রোহিঙ্গাদের জন্য পাঠানো আন্তর্জাতিক ত্রাণ লুটপাটের সম্ভাবনা রয়েছে'

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

four + ten =