সপ্তাহ খানেক আগেই পেঁয়াজের দাম ছিল কেজি প্রতি ৫৩-৫৪ টাকা, সেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৬৩-৬৪ টাকা কেজি দরে। কেজি প্রতি হঠাৎ ১০ টাকা বৃদ্ধির কারণ অবৈধ সিন্ডিকেট। এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ ব্যবসায়ীরা। একে অপরের উপর দোষ চাপিয়ে দায় সারা বক্তব্য তাঁদের। এদিকে পেয়াজের বাঁজারে দামের এই উর্ধ্বগতিতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ।

সোমবার (২৩ অক্টোবর) কারওয়ান বাজার ঘুরে পাইকারি ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে। কেউ বলেন, কেউ বলেন বৃষ্টি, কেউ ভারতে পেয়াজের দাম কে কারণ হিসেবে দাড় করান।

ব্যাপারীদের ভাষ্য, কারওয়ান বাজারে দেশী পেঁয়াজের চালান বেশি আসে ফরিদপুর ও পাবনা থেকে। কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, শরীয়তপুর জেলা থেকে দেশী পেঁয়াজ আসে। এসব জেলার হাটগুলো থেকে পেঁয়াজ সংগ্রহ করে ঢাকায় আনা হয়। কিন্তু হাটেই পেঁয়াজের দাম চড়া। আজ পাবনায় ৪০ কেজির পেঁয়াজের বস্তার দাম পড়ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। আড়ত চার্জ, শ্রমিক, পরিবহণ, বস্তা, বস্তা বাঁধার সুতাসহ এক বস্তা পেঁয়াজ কারওয়ান বাজার পর্যন্ত আনতে খরচ পড়ছে আরও ২০০ টাকা।

‘পেঁয়াজের দাম আর খুব একটা বাড়বে না। আপাতত দাম কমারও সম্ভাবনা নেই। নতুন পেঁয়াজ না ওঠা পর্যন্ত দাম এমনই থাকবে। বৃষ্টি বেশি হওয়ায় চাষিরাও তো দেরি করে পেঁয়াজ চাষ শুরু করবেন। এসব কারণেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।’ এমনটাই বক্তব্য আড়ৎদারদের।

পাইকারি বাজারে চেয়ে খুচরা বাজারের পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর। কেজি প্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা করে দাম বেশি। খোজ নিয়ে জানা গেছে প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজ বিক্রি করছে ৭০ টাকা। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মূল্যতালিকায়ও এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়ে গেছে।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

four − one =