একবছর আগে বাগদান ও ঘরোয়া বিয়ের আয়োজনের পর গত জুলাইয়ে কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে শ্রাবন্তী ও কৃষাণের রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়। সম্প্রতি তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের গুঞ্জন উঠে টলিপাড়ায়। যদিও বিচ্ছেদের বিষয়টি তখন সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেন শ্রাবন্তী-কৃষাণ। এবার ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা নিজেই জানালেন এ অভিনেত্রী।

শ্রাবন্তী-কৃষাণের পরিচয় হয় দেড় বছর আগে একটি বিজ্ঞাপনের কাজের সময়। এরপরেই ভালোলাগা থেকে প্রণয় এবং পরিণয়ের সিদ্ধান্ত।

এ প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বলেন, ‘আমি এখন ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না। কাজ আর ছেলের পড়াশোনা, এই নিয়ে ব্যস্ত। ঝিনুকের ক্লাস এইট হলো। ওর স্কুলে যেতে অসুবিধা হবে বলে বেহালা থেকে বাইপাসের ধারে বহুতল দালানে চলে এসেছি। আর হতাশ হয়ে নিজের ক্ষতি করতে পারব না। কারণ আমার ছেলে, বাবা-মা সবসময় আমায় আগলে রাখে। মাঝেমাঝে ভাবি এত ভালোবেসেও আমি ভালোবাসা পেলাম না। তারপর ভাবি বাইরের লোকে যাই বলুক, আমি তো জানি কারো সঙ্গে কেন সংসার করতে পারিনি। বাইরের লোক কী বলল, তা নিয়ে আর ভাবি না।’

শ্রাবন্তী আরো বলেন, ‘আমি খুব আবেগ প্রবণ। সংসার করতে ভালোবাসি। কিন্তু এখন মনে হয়, শুধু স্বামী থাকলেই সংসার হবে- এমন নয়। বাবা-মা, ছেলেকে নিয়েও সংসার হয়। প্রতিটা মেয়েই চায় সংসার করতে। কিন্তু আমার কপালে যা লেখা ছিল তাই হয়েছে। ভবিষ্যৎ কী রকম হবে জানি না। তবে আমি আগের থেকে পরিণত হয়েছি। এখন কাজেও অনেক বেশি মন দিতে পারছি। মাঝে এক বছর কাজে অতটা মন দেইনি।’

কার সিদ্ধান্তে দ্বিতীয়বারের বিচ্ছেদের পথ মাড়ালেন শ্রাবন্তী, এমন প্রশ্নের জবাবে শ্রাবন্তী বলেন, ‘দুজনে মিলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ কৃষাণের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও নেই শ্রাবন্তীর। প্রাক্তন স্বামীকে শুভকামনা জানিয়ে শ্রাবন্তী বলেন, ‘আমি চাই, আমার সঙ্গে না হোক, কিন্তু সে যেন ভালো থাকে।’

২০০৩ সালে পরিচালক রাজীবকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। তারপর তাদের ঘর আলো করে আসে পুত্রসন্তান ঝিনুক। অবশ্য পরবর্তীতে রাজীবের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয় তার। এরপর এ অভিনেত্রী বিয়ে করেন কৃষাণ ভিরাজকে।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

16 − 2 =