আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আদালতের রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারান, তাহলে বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়ে আসার সুযোগ নেই সরকারের। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিএনপির অপরাধী চরিত্র উন্মোচিত হয়েছে। তাই তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নিমতলায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, এতিমের টাকা আত্মসাৎ রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক অপরাধের শামিল। তাই আদালতের আদেশেই সবকিছু হবে। বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারেন। আপিল করার পর যদি আদালত খালেদা জিয়াকে নির্বাচন করার অনুমতি দেন, সেখানে আওয়ামী লীগের কী করার আছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপিতে কি কোনো সৎ (ভালো) নেতা নেই? দণ্ড ছাড়া একজনও কি নেই যাঁকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা যেত পারে! দণ্ডিত ব্যক্তি ও পলাতক আসামিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করার মধ্য দিয়ে এটাই প্রমাণিত হলো, এই দল ক্ষমতায় গেলে আবারও বাংলাদেশ দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে। আবারও বাংলাদেশে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত চলার সময়ে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা, সিরাজদিখান উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

বিআরটিএর আদালত-৭–এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুর রহিম সুজনের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত চলে। এ সময় ট্রাফিক নিয়ম অমান্য করায় কয়েকটি যানবাহনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা ও সাড়ে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   ২০ দলীয় শরিক লেবার পার্টিতে ভাঙ্গন

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

19 + two =