ইরানের রাজধানী তেহরান ও দেশটির যেসব নগরীতে রাজপথে বিক্ষোভ হচ্ছে সেসব নগরীর পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে পুলিশ ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইসলামি বিপ্লব গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র রমাজান শরিফের বরাত দিয়ে আল ময়াদীন টিভি চ্যানেলের খবরে একথা বলা হয়। খবর তাসের।

শরিফ বলেন, ‘আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অনেক ভালোভাবেই তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।’

আল-ময়াদীন টিভি নেটওয়ার্কের এর আগের খবরে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ ইউনিট সোমবার তেহরানের আজাদি, ইংহেলাব ও ফেরদৌসি স্কয়ার দখল করে বিক্ষোভ করা ব্যক্তিদের দমন করে।

টিভি চ্যানেলের খবরে বলা হয়, সোমবার সন্ধ্যার দিকে প্রায় ১শ’ জন বিক্ষোভকারীর একটি গ্রুপকে নগরীর কেন্দ্রস্থলে জড়ো হতে দেখা যায়। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এ সময় পুলিশ রাজপথে বিক্ষোভের উস্কানিদাতাদের একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি আলী শামখানি আল-ময়াদীন টিভি চ্যানেলকে বলেন, ‘এই বিক্ষোভ হচ্ছে ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশটির জনগণের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও সৌদি আরবকে দায়ী করেন।

গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে রাজপথে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। বিক্ষোভটি ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী মাশাদে ছড়িয়ে পড়েছে।

রোববার পুলিশ তেহরানে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের সরকারের বিরুদ্ধে নানা রকমের শ্লোগান দিতে দেখা যায়।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে যুবতীকে পুড়িয়ে হত্যা

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

six − three =