এটি কোন সাধারণ হাঙর নয়, কিম্ভূত মুখ ৩০০ দাঁতওয়ালা বিরল প্রজাতির এই হাঙরের ‘ফ্রিল্ড হাঙর’। কদাচিৎই দেখা মিলে এর। সমুদ্রের ৪০০ থেকে ৪ হাজার ফুট গভীরে এই প্রাণীর বিচরণ।

আর পাঁচটা হাঙরের মতো আচরণও নয় তার। অক্টোপাস এমনকি অন্য হাঙরদেরকেও খেয়ে ফেলে এই হাঙর।

সম্প্রতি এমন বিরল প্রজাতির হাঙরের দেখা মিলল পর্তুগালের আলগার্ভের সমুদ্র সংলগ্ন এলাকায়। প্রায় ৬ ফুট লম্বা এই হাঙর একজন লম্বা মানুষের সমান। এই হাঙরের খোঁজ মেলায় বিজ্ঞান জগতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ফের উল্টে দেখা হচ্ছে ইতিহাসের পাতা।

বিজ্ঞানীদের ধারণা ক্রেটাসিয়াস যুগের পরে টাইরানোসরাস রেক্স সময় থেকেই এই হাঙরের অস্তিত্ব বিদ্যমান।

এই বিরল প্রজাতির প্রাণীকে ফ্রিল্ড হাঙর বলা হয়। বিজ্ঞানের ভাষায় তার নাম ক্লামিডোসালিকাস অ্যাঙ্গুনেস। থাকে সমুদ্রের প্রায় অতলে।

বিজ্ঞানীদের দাবি, প্রাচীনকালের ফ্রিল্ড হাঙরের সঙ্গে আজকের এই হাঙরের কোনও তাফাৎ নেই। শরীরে বাইরে এবং ভিতরের কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। এই প্রাণী সমুদ্রের এত গভীরে বসবাস করে যে, উপযুক্ত পুষ্টির অভাবে এদের কোনও বিবর্তনও ঘটেনি।

এর আগে ২০০৭-এ জাপানি ফিশারম্যান এমনই হাঙরের খোঁজ পান।  জাপানি গবেষকদের মতে, ৬১ শতাংশ সিফালোপডস জাতীয় (অক্টোপাস, স্কুয়িডস) খাদ্য খেয়ে থাকে ফ্রিল্ড হাঙর। সূত্র: এনডিটিভি।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

1 × 1 =