কুমিল্লার দেবিদ্বারে বিয়ের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছে ছালমা আক্তার (১৭) নামের দেবিদ্বার জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজের এক ছাত্রী। দেবিদ্বারের রসুুলপুর ইউনিয়নের জিন্নতপুর গ্রামে এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কৌতূহলী নারী-পুরুষ ভিড় করছে অনশনকারী তরুণীকে দেখতে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়ের পর ইমোর ভিডিও কলে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে ওই কলেজছাত্রীর। প্রেমিক দেশে আসলে তাদের দৈহিক সম্পর্কও হয়। এরপর থেকেই বদলে যেতে থাকে প্রেমিক যুবকের আচরণ! প্রবাসী মিজান (২৮) জিন্নতপুর প্রবাসী খোরশেদ আলমের ছেলে। ঘটনার দিন প্রেমিকার আসার খবর পেয়েই সকাল থেকে ‘গা ঢাকা’ দিয়েছে মিজান। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। তরুণী বিষের বোতল দেখিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, হয় বিয়ে, নয় মৃত্যু, মিজানের সাথে দীর্ঘ চার বছরের প্রেম। মিজান বিদেশ থাকাকালীন মোবাইলে চলে তাদের প্রেম । গত দুই বছর আগে বিদেশ থেকে এসে বিয়ে করার কথা বলে কুমিল্লার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে মিজান। এরপর নানা কৌশলে আবার বিদেশ চলে যায় মিজান। সম্প্রতি সে আবার দেশে আসে, তবে ছালমাকে না জানিয়ে অন্য কোথাও বিয়ে করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ ঘটনায় ছেলের মা সেতরা বেগম জানান, আমার ছেলের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ছেলেকে না পেলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া বেগম জানান, আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি, বিয়ের ব্যবস্থা করতে বলেছি। দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, থানায় কোন পক্ষই অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি মিমাংসা করার জনা বলা হয়েছে।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

15 + seven =