বৌদ্ধধর্মাবলম্বী যুবতীর সঙ্গে মুসলিম যুবকের বিয়ে নিয়ে ক্রমাগত চড়ছে উত্তেজনার পারদ। এই বিবাহ নিয়ে লাদাখের বৌদ্ধ ও মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে উত্তেজনা এতটাই বেড়েছে যে লাদাখ বুদ্ধিস্ট অ্যাসোসিয়েশন দ্বারস্থ হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

লাদাখের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দাবি, তাদের কাছে ফেরত পাঠাতে হবে বিবাহিত ওই বৌদ্ধ মেয়েটিকে। এই বিয়ে তারা মানতে রাজি নন। এ বিষয়ে সমাধানের রাস্তা খুঁজে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির কাছেও চিঠি পাঠায় ওই বৌদ্ধ সংগঠন। ২০১৫ সালে হওয়া এই বিয়েতে ওই বৌদ্ধ যুবতী ধর্ম পরিবর্তন করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে ফের একবার অশান্ত হয়ে উঠছে লাদাখ।

তবে অনড় ওই বিবাহিতা। তার দাবি, তিনি নিজের ইচ্ছায় এই বিয়ে করেছেন। এই ধর্মও গ্রহণ করেছেন স্বেচ্ছায়। ফলে যুক্তিতে পিছিয়ে যাচ্ছেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।

তাই হুমকি-হুঁশিয়ারিতেই আপাতত থেমে আছে গোটা ঘটনা। যদিও, পরিস্থিতি ছাই চাপা আগুনের মতো। স্থানীয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, ওই মহিলা যদি বিয়ে নাকচ করে চলে না আসেন, তাহলে চরম পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে তাকে।

এই দম্পতির পাশে দাঁড়িয়েছে ভারতের আদালত। মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন নাইমা মাহজুরের বিবৃতি অনুযায়ী ২০১৫ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর শিফা ২০১৬ সালে বেঙ্গালুরুতে বিয়ে করে। জম্মু- কাশ্মীর হাইকোর্টের কাছে সম্মতি নিয়ে আগাকে তিনি বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেছেন শিফা।

এ বিষয়ে তার বিবৃতিও রেকর্ড আছে। আদালত এই দম্পতিকে বিরক্ত না করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে ধর্মের হাত এত সহজে হয়তো শান্তি দেবে না তাদের। সেই আশঙ্কাই করছেন এই দম্পতি।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ওপর হামলা

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

four × 1 =