কংক্রিটে বাঁধানো পুকুরে স্বচ্ছ পরিষ্কার পানি। তাতে পা ডুবিয়ে বসে আছেন নানা বয়সের মানুষ। রাঁচীর মোরাবাদী ময়দানের অক্সিজেন পার্কের ওই পানিতে পা ডোবাতে ছুটে আসছেন অনেকেই, আছেন দেশ বিদেশের ভ্রমণ পিপাসুরাও।

নীলম কুমারী বলেন, ‘এই পানিতে পা ডোবালেই ঝাকেঁ ঝাঁকে মাছ পা ঘিরে ধরে। আঙুল, পায়ের পাতা, গোড়ালিতে কুটকুট করে কামড় দেয়। আমার পায়ে কয়েকটি কড়া পড়েছিল। এখন আর একদমই নেই।’

এই ‘ফিস থেরাপি’ নিতে নীলমের মতো সকাল বেলা হাজির হয়েছেন ত্রিশ বছরের তরুণ করণ দ্বিবেদী। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন সকালে তিন-চার কিলোমিটার দৌড়ের পর মাছের কামড় উপভোগ করতে এখানে আসি। আমার মতো আরো অনেকে রয়েছেন যারা নিয়মিতই অক্সিজেন পার্কে ফিস থেরাপি নিতে আসেন।’

রাঁচীর চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ মনোজিৎ ঝা বলেন, ‘পুকুরের ওই পানিতে পা ডোবালে মাছ পায়ের মৃত কোষ খায়। এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। তবে ফিস থেরাপির জন্য মাঝেমধ্যে এই পানি বদলাতে হয়। অনেকদিনের জমা পানিতে পা ডোবালে উপকারের বদলে উল্টো সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে।’

রাঁচীর ডিএফও রাজীবলোচন বক্সী জানান, বন দফতরের উদ্যোগে পার্ক পরিস্কার করে পুকুরে ছোট ছোট মাছ ছাড়া হয়েছে। প্রাত:ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন করে সাজানো হয়েছে অক্সিজেন পার্ক।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

4 + 20 =