জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বীকৃতির জের ধরে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়োজিত রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। তাকে ‘আলোচনা’র জন্য ডাকা হয়েছে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বীকৃতির পর ফিলিস্তিনে যুক্তরাষ্ট্র বিরোধী মনোভাব বাড়ছে। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে নতুন করে সহিংসতাও শুরু হয়েছে। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ঘোষণা দিয়েছেন, মি. ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইসরায়েল- ফিলিস্তিন সংকটের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রস্তাবই তিনি মানবেন না। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসাবে মার্কিন স্বীকৃতির পর গাজা ও পশ্চিম তীরে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। এতে এর মধ্যেই নিহত হয়েছেন অন্তত ১৩জন। মার্কিন ওই স্বীকৃতি প্রত্যাহারের আহবান জানিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে একটি প্রস্তাবও গ্রহণ করেছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। যে প্রস্তাবে জেরুজালেম প্রশ্নে কোন একক দেশের সিদ্ধান্ত ‘অকার্যকর’ ও ‘বাতিলযোগ্য’ বলে গ্রহণ করা হয়। এমন প্রেক্ষাপটেই যুক্তরাষ্ট্রে পিএলও রাষ্ট্রদূত হুসাম জমলতকে ডেকে পাঠিয়েছেন ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল মালিকি। রোববারও মি.আব্বাস বলেছেন, জেরুসালেম হচ্ছে ফিলিস্তিনি জনগণের চিরস্থায়ী রাজধানী। ১৯৬৭ সালে জর্ডানের কাছ থেকে পূর্ব জেরুজালেম দখল করে ইসরায়েল এবং এরপর থেকে তারা পুরো শহরটিকে রাজধানী বলে দাবি করে আসছে, যা ইসরায়েল ফিলিস্তিনি সংঘর্ষের অন্যতম প্রধান কারণ। এই দাবিকে কখনোই স্বীকৃতি দেয়নি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। পূর্ব জেরুজালেমকে ভবিষ্যতের ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের রাজধানী হিসাবে দাবি করে ফিলিস্তিন, যা নিয়ে শান্তিচুক্তির পরবর্তী ধাপে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: বিবিসি

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   মিয়ানমারকে শায়েস্তা করতে শুরু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 + 11 =