রাজধানীর হাইকোর্টের কদম ফোয়ারার সমানে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। আজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হাজিরাকে কেন্দ্রে করে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক ও সাবেক জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক আমিনুল হকসহ ২০ জনকে আটক করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে একই পথে গুলশানের বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়া বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।

হঠাৎ খবর রটে খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে নেতাকর্মীদের একটি অংশ হাইকোর্টের কদম ফোয়ারার সামনে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থান নেয়। এসময় পুলিশ তাদের বাধা দিতে গেলে শুরু হয় সংঘর্ষ। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। একপর্যায় পুলিশ টিয়ারশেল মেরে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা বঙ্গবাজারের সামনে অবস্থান নেয় এবং বেশ কয়েকটি গাড়ী ভাঙচুর করে। একটি মোটরবাইকে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করে।

এরপর কদম ফোয়ারার সামনে থেকে ক্রীড়া সম্পাদক ও সাবেক জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক আমিনুল হকসহ বাকিদের আটক করে। এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)’র রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, বিকাল ৩টার দিকে হাইকোর্ট চত্বরের ভেতর থেকে ৪০/৫০ জন বিএনপি’র নেতাকর্মী কদম ফোয়ারার সামনের রাস্তা অবরোধ করার চেষ্টা করে। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুঁড়ে। পরে পুলিশ টিয়ারশেল ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

[কেকে/এমকে/এফএম]

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

4 + 19 =