১২ বিঘা জমির ওপর মৎস্য খামার। এর চারপাশে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫০০ গাছ। নারকেল, সুপারি, পেঁপে, লাউ, বেগুনসহ নানা প্রজাতির গাছ। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার সকালে দেখা যায় প্রায় দেড় শ চারা গাছ কাটা অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন ভাওয়াল কাশারিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই বাগানের মালিক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আবদুর রশিদ এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

আবদুর রশিদ জানান, ভাওয়াল এলাকায় ১২ বিঘা জমির ওপর মৎস্য খামারসহ মিশ্র বাগান করেছেন তিনি। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫০০ চারাগাছ রয়েছে। বাগানটি সাত বছর ধরে একই এলাকার আবু সিদ্দিক নামের এক ব্যক্তি দেখাশোনা করতেন। তিন মাস আগে সিদ্দিকের কাছ থেকে তিনি বাগানটি বুঝে নিয়ে নিজেই দেখভাল করছেন। এতে আবু সিদ্দিক কিছুটা ক্ষুব্ধ ছিলেন। এ কারণে আবু সিদ্দিক ও তাঁর লোকজন এ ঘটনাটি ঘটিয়েছেন বলে তাঁর ধারণা।

বাগানের নৈশপ্রহরী শাহাবুদ্দিন মিয়া বলেন, ‘রাত ১২টার দিকে মুখোশধারী তিন দুর্বৃত্তকে গাছগুলো কাটতে দেখে আমি চিৎকার দিই। এ সময় তারা পালিয়ে যায়।’

তারানগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী বলেন, ‘জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। কিন্তু শত্রুতার জেরে গাছ কেটে ফেলা উচিত হয়নি। যারা এ ধরনের কাজ করেছে তারা অমানুষ। আমরা এর বিচার দাবি করছি।’

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার আটি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপসহকারী পরিদর্শক (এএসআই) আমিনুর রহমান বলেন, বিষয়টি অমানবিক। কারা এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাকের মোহাম্মদ যোবায়ের বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা দেড় শতাধিক চারা গাছ কেটে ফেলেছে, এমন একটি অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

সুত্রঃ প্রথম আলো

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

thirteen − 6 =