দুই বছরের  মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো সম্পন্ন হবে। এ বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে একমত হয়েছে বাংলাদেশ। এ কথা বলা হয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে। তবে ওই প্রত্যাবর্তন করে থেকে শুরু হবে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয় নি। ওদিকে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো নিয়ে ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ নামে মাছ পর্যায়ের একটি চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে আজ মঙ্গলবার সকালে। এ নিয়ে সোমবার থেকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের প্রতিনিধিরা মিয়ানমারের রাজধানী ন্যাপিডতে বৈঠকে বসেন।

টানা ১৩ ঘন্টা বৈঠক হয়। তারপর আজ মঙ্গলবার সকালে আবারো বৈঠকে বসেন উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা। এই বৈঠকেই ওই চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়েছে। এর অধীনে দুই বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো সম্পন্ন হবে। এবং বাংলাদেশ তা মেনে নিয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে বলা হয়, ২৩ শে নভেম্বর দু’দেশের মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা বাস্তবায়ন নিয়ে বৈঠকের পর এ ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক মিডিয়াকে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য আমরা সফলভাবে ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট চূড়ান্ত করে ফেলেছি। সেই সঙ্গে যেসব রোহিঙ্গা ফেরত যাবেন, তাদের জন্য একটি ফরমের রূপও চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, চুক্তিতে প্রত্যাবাসনের সংখ্যা সহ অন্যান্য সব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার ভূমিকার বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যাবাসনের পর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জীবন-জীবিকার বিষয় নিশ্চিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত আছে।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   মাওলানা সাদকে নিয়ে জটিলতা নিরসনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

1 × 5 =