মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে হঠাৎ করেই পানের সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বেড়ে গেছে দাম। আকস্মিকভাবে বাজার চড়ে যাওয়ায় পানের খিলির দামও বেড়ে গেছে। বড় একটি পানকে দুই ভাগ করে ৫ টাকা করে খিলি বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা পুরো একটি বড় পানের খিলি বিক্রি করছেন ১০ টাকা দরে।

আড়তদারেরা বলছেন, শীতের কারণে বরজে পান উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। বাজারে পান ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বুধবার কমলগঞ্জে পাইকারি বাজারে প্রতি বিড়া (৭২টি পান) বিক্রি হয় ৮০-৯০ টাকা দরে। শুক্রবার থেকে প্রতি বিড়া পানের দাম ওঠে ৩০০ টাকায়। অন্যদিকে প্রতি বিড়া ছোট পান বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে।

শমশেরনগর বাজারের খিলি পান বিক্রেতা রাজ্জাক শেখ বলেন, শীতের সময় প্রতিবছরই পানের দাম বাড়ে। তবে এবার বাজার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।

শমশেরনগরের পানের খুচরা বিক্রেতা মঞ্জির মিয়া শনিবার দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, দুই দিন আগে তিনি প্রতি বিড়া পান কিনেছেন ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। এখন মাঝারি আকারের সেই পান প্রতি বিড়া ২০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। বড় আকারের প্রতি বিড়া পান কিনতে হচ্ছে ৩০০ টাকা দরে। এতে ছোট একটি পানের দাম পড়ছে ২ টাকা ৭৮ পয়সা, বড় পানের দাম পড়ছে ৪ টাকা ১৭ পয়সা। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বরজে নতুন পান উৎপাদন শুরু না হওয়া পর্যন্ত আরও এক মাস এ অবস্থা চলবে।

কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামছুদ্দীন আহমদ বলেন, শীত আর কুয়াশার কারণে পানের বরজে গাছ মরেও যাচ্ছে। ফলে বাজারে পানের সরবরাহ কমে গেছে।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   রপ্তানি আয়ে ‘স্বস্তি’

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

11 − 7 =