গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে মন্দমানে শ্রেণিকৃত ঋণ ৬৫ হাজার ৮৬০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সাংসদ এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ তথ্য জানান।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠক শুরুর পর প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। এটি মোট ঋণের ১০ দশমিক ৬৭ শতাংশ। শ্রেণিকৃত ঋণের মধ্যে মন্দমানে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ৬৫ হাজার ৮৬০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, যা মোট ঋণের ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

সরকারি দলের মামুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সার্বিকভাবে ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ বেড়েছে। নভেম্বর ২০১৬-এর তুলনায় নভেম্বর ২০১৭-এর শেষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ছয়টি ব্যাংকের আমানতের প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এ সময় সংরক্ষিত আমানতের পরিমাণ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ কোটি টাকা।
জাতীয় পার্টির আবদুল মতিনের প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, গত বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সরকারি ব্যাংক থেকে ৯ হাজার ৫৩২ কোটি ও বেসরকারি ব্যাংক থেকে ১ লাখ ৭ হাজার ১২৫ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে।
সংরক্ষিত আসনের উম্মে রাজিয়া কাজলের প্রশ্নের জবাবে আবুল মাল আবদুল মুহিত জানান, কোনো কোটিপতির করনেটের বাইরে থাকার সুযোগ নেই। বর্তমানে প্রায় ১৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যক্তি আয়কর প্রদান করেন।
নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে (জানুয়ারি ২০১৮) ব্যক্তি করদাতার সংখ্যা ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১০১ জন। ঢাকা জেলায় ব্যক্তি আয়করের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ১২ লাখ ৬৩ হাজার ৬১১ জন। আর সবচেয়ে কম মেহেরপুরে, ৬ হাজার ৬৯৪ জন।

আরও পড়ুনঃ   রাজধানীতে তীব্র গ্যাস সঙ্কট

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

sixteen + sixteen =