মায়ের দাফন অনুষ্ঠানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আলে নাহিয়ানের অনুপস্থিতি ক্ষমতা থেকে তার অপসারণের জল্পনাকে শক্তিশালী করেছে।

রোববার শেখ খলিফা আলে নাহিয়ানের মায়ের মৃত্যু হয় এবং এ দিনই তার জানাযার নামাজ ও দাফন সম্পন্ন হয়। কিন্তু এসব অনুষ্ঠানে শেখ খলিফা উপস্থিত ছিলেন না। প্রেসিডেন্টের ভাই শেখ মুহাম্মাদ বিন জায়েদ আলে নাহিয়ান তার মায়ের দাফন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা আলে নাহিয়ান গত তিন বছরে রাষ্ট্রীয় কোনো অনুষ্ঠান কিংবা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হননি। এই দীর্ঘ সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণমাধ্যম প্রেসিডেন্টের খবর প্রচার করতে গিয়ে কেবল তার পুরনো ছবি ব্যবহার করেছে।

তবে সবাই ধারণা করেছিলেন, মায়ের দাফন অনুষ্ঠানে অন্তত প্রেসিডেন্টকে দেখা যাবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।

শেখ মুহাম্মাদ বিন জায়েদ আলে নাহিয়ান

কোনো কোনো পর্যবেক্ষক মনে করছেন, অসুস্থতার কারণে হয়তো প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা রাষ্ট্রীয় কাজে অংশ নিচ্ছেন না। অনেকে আবার তার ভাই শেখ মুহাম্মদের পক্ষ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেয়ার জল্পনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না। তারা বলছেন, শেখ খলিফার শারিরীক অবস্থা ভালো না থাকা সত্ত্বেও তার ভাই শেখ মুহাম্মাদ তাকে দেশের বাইরে যেতে দিচ্ছেন না।

গত বছর আরব আমিরাতের মানবাধিকার কর্মীরা প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা আলে নাহিয়ানের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট করার জন্য আবু ধাবির প্রতি আহ্বান জানালেও এখনো দেশটির সরকার তাতে সাড়া দেয়নি।

২০০৪ সালে পিতার মৃত্যুর পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন শেখ খালিফা বিন জায়েদ আলে নাহিয়ান।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   শর্ত জুড়ে ১৮ লাখ অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দেবার পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

20 − 13 =