নারকেল তেল ত্বকের বিভিন্ন ধরনের চর্ম রোগ যেমন চামড়া খসখসে, বলিরেখা, চামড়ায় লাল দাগ, বা স্পট প্রতিরোধে খুবই উপকারী। তাই বর্তমানে অনেক দামি নামকরা প্রোডাক্ট সাবান, শ্যাম্পু, ক্রীম এবং লোশনে নারিকেল তেলের উপাদান ব্যবহার করা হয়।

তবে এছাড়াও নারকেল তেলের আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে, যা সম্পর্কে হয়ত আমরা আগে অবগত ছিলাম না।

আসুন জেনে নেয়া যাক সে সকল উপকারিতা সম্পর্কে-

১. ত্বকের ময়েশ্চারাইজার: ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে সব ময়লা দূর করে তারপর মুখে নারিকেল তেল মাখতে হবে। নারিকেল তেল ব্যবহারে ত্বক আরাম পায়, এনজাইমকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং লাল ছোপ ছোপ দাগ ও চুলকানি থেকে রক্ষা করে।

২. মেকআপ রিমুভার: মেইকাপ তুলতেও নারিকেল তেল খুব কার্যকর। বর্তমান সময়ে সবাই ওয়াটার প্রুফ মেকআপ সামগ্রী ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। যাতে করে অনেক সময় মুখে মেকআপ রাখা যায়। কোন প্রকার টাচ-আপ করারও প্রয়োজন পড়ে না। এই মেকআপ পড়ে পরিষ্কার করতেও অনেক কষ্ট হয়। তখন ত্বকের চারদিকে নারকেল তেল লাগিয়ে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করুন। মেকআপ সব একা একাই উঠে আসবে।

৩. প্রাকৃতিক হাইলাইটার: নারিকেল তেল হাতে নিয়ে আলতো করে ত্বকে ম্যাসাজ করে মাখতে হবে। এতে ত্বক নারিকেল তেল শোষণ করতে পারবে। মেকআপ শেষে আলতো করে তুলা দিয়ে নারকেল তেল হাইলাইটার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

৪. ব্রণ দূর করে: নারকেল তেলে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপকরণ রয়েছে, যা ত্বকের ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। নারকেল তেলের ফ্যাটি এসিড ব্রণের ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলতে পারে। তাই ত্বকে ব্রণের জীবাণু আক্রমণ করতে পারে না।

৫. বয়স কমায়: নারিকেল তেলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটা সব ধরনের মুক্ত মৌলকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং বলিরেখাকে বাধা দেয়। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে নারকেল তেল ত্বকে মেখে ঘুমাতে হবে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে নিজস্ব একটা আর্দ্রতা তৈরি হয় যা ত্বককে নরম রাখে।

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

14 − five =