হবিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে পুলিশের সাথে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৫০ জন বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো: ইলিয়াাছ, যুবদল নেতা অলিউর রহমান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমদাদুল হক এমরান, সহসভাপতি জিল্লুর রহমানসহ অন্তত ২০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা বিএনপি একটি বিক্ষোভ মিছিল তাদের দলীয় কার্যালয় থেকে বের করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ মারমুখী হয়ে উঠলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে দু’পক্ষের সংঘর্ষে বাঁধে। পুলিশ শটগানের গুলি ছুড়লে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছসহ অন্তত ২০ জন গুলিবিদ্ধসহ ৫০ জন আহত হয়। আহত নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি ও চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিকে গউছকে আটক করলেও পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

গুলিবিদ্ধ আহতরা হলেন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ ইলিয়াছ, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি জিল্লুর রহমান, সদর থানা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অলিউর রহমান, ছাত্রদল নেতা জিবলু আহমেদ, আবুল বাশার ইছা, আব্দুল হান্নান, বাদশা সিদ্দিকী, বিজয় টিভির জেলা প্রতিনিধি ইলিয়াছ আলী মাসুক।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিকে গউছ দাবি করেছেন, ‘বিএনপি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল করতে চাইলে ডিবি পুলিশের ওসি শাহ আলম তাকে ক্রসফায়ারের হুমকি দিলে তাদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে। এ সময় পুলিশ তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে গুলি ছুড়ে শতাধিক নেতাকর্মীদের আহত করে।’

হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়াতুন নবী দাবি করেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা হট্টগোল সৃষ্টি করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে শটগানের গুলি, রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   নির্বাচন যাতে না হয় সরকার সেই চেষ্টা করছে : ফখরুল

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

seventeen − 4 =