ফোরজি এলটিই সেলুলার মোবাইল ফোন সার্ভিসের লাইসেন্সের জন্য প্রস্তাব আহ্বান করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দেওয়া বিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত বছরের চার ডিসেম্বর বিটিআরসি ফোরজি এলটিই সেলুলার মোবাইল ফোন সার্ভিসের লাইসেন্সের জন্য প্রস্তাব আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি দেয়। এ অনুসারে আগামী ১৪ জানুয়ারি প্রস্তাব জমা দেওয়ার দিন ছিল। তবে ওই বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাংলা লায়ন কমিউনিকেশনস লিমিটেড গতকাল বুধবার হাইকোর্টে রিট করে। আজ রিট আবেদনের ওপর শুনানি হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. কামাল হোসেন সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রমজান আলী শিকদার ও সাইফুল আলম চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

আইনজীবী রমজান আলী শিকদার আদেশের বিষয়টি জানিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ২০০৮ সালে বিটিআরসির এক নীতিমালার দুটি নীতির পরিপন্থী ওই বিজ্ঞপ্তিটি। কেননা ২০০৮ সালের নীতিমালার ৪.০২ নীতি অনুসারে তিনজনের বেশি এ লাইসেন্স (বিডব্লিউএ, ফোরজি) দেওয়া যাবে না। সরকারকে একটি দেওয়া যাবে। ৪.৬ (৩) নীতি অনুসারে মোবাইল ফোন অপারেটররা এ জন্য যোগ্য হবে না। ২০০৮ সালের ওয়ারলেস ব্রডব্যান্ড নীতিমালার ওই দুই নীতি উপেক্ষা করেই ফোরজি লাইসেন্সের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এসব যুক্তিতে রিটটি করা হলে আদালত ওই আদেশ দেন।

রুলে দরপত্র আহ্বানের নোটিশ ওই দুটি নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যানসহ বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

Comments

comments

আরও পড়ুনঃ   ৫৭ ধারা বাতিল হলেও দায়ের হওয়া মামলা চলবে : আইজিপি

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

8 + eleven =