ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা: বেশীরভাগ মানুষের মাঝেই একটি ধারণা খুব পাকাপোক্তভাবে গেঁথে গেছে- ‘প্রযুক্তি’ মানেই তারুণ্য, অথবা তারুণ্যের জন্যেই প্রযুক্তি! আসলেই কী তাই? যদি বলা হয় এই ধারণা খুব ভুল, তবে বিশ্বাস করবেন কী? আপনার ধারণা ভুল প্রমাণিত করতে এবং প্রচলিত বিশ্বাসে ফাটল ধরাতে জাপানিজ একজন ভদ্রমহিলার কিছু ছবিই যথেষ্ট!
কিমিকো নিশিমতো (Kimiko Nishimoto) নামের জাপানিজ এই ভদ্রমহিলার বয়স ‘মাত্র’ ৮৯ বছর! মাত্র বলা হচ্ছে কারণ, বয়সের সংখ্যাটি কিমিকোকে দমিয়ে রাখতে পারেনি তার প্রতিভা থেকে! কিমিকো বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে তার বিভিন্ন হাস্যকর ও মজার ভঙ্গিমায় নিজের ছবি তুলে আসছেন এবং সেই সকল ছবি নিজেই এডিট করছেন। যদিও ৭২ বছর বয়সের আগে তিনি ফটোগ্রাফি সম্পর্কিত কিছু জানতেন না।
কিমিকো’র ছেলে ফটোগ্রাফিতে ‘বিগিনার্স কোর্স’ এ প্রশিক্ষণ দিতেন। যে কারণে মা কিমিকোরও ফটোগ্রাফির প্রতি আগ্রহ জন্ম নেয় এবং তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে সেই ফটোগ্রাফির ক্লাসে ভর্তি হবেন ও ক্লাস করবেন। তখনও পর্যন্ত কিমিকো নিজের প্রতিভা, ভালোলাগা ও আবেগের ব্যাপারেও কিছুই জানতেন না!
তবে ফটোগ্রাফি ক্লাসে অংশগ্রহণ করার পর তিনি বুঝতে পারেন যে ফটোগ্রাফির প্রেমে পড়ে গিয়েছেন তিনি! যার ফলে নিজেই নিজের বিচিত্র ও হাস্যরস পূর্ণ সেলফ পোর্ট্রেইট (নিজের ছবি) তোলা শুরু করে দেন।
ছবি তোলা শুরু করার দশ বছর পর কিমিকো নিজের তোলা ছবি একক প্রদর্শনী করেছিলেন। প্রদর্শনীটি হয়েছিল কিমিকো’র নিজের এলাকা কুমামোতো নামক স্থানের স্থানীয় একটি জাদুঘরে। বর্তমানে কিমিকো কাজ করছেন তার পরবর্তি প্রদর্শনীর জন্য হবে ‘Tokyo’s Epson epsite imaging gallery’ তে। তার এই প্রদর্শনীর নামকরণ করা হয়েছে ‘Asobokane’, যার অর্থ- “চলো খেলা করি।”
ছবি তোলা শুরু করার দশ বছর পর কিমিকো নিজের তোলা ছবি একক প্রদর্শনী করেছিলেন। প্রদর্শনীটি হয়েছিল কিমিকো’র নিজের এলাকা কুমামোতো নামক স্থানের স্থানীয় একটি জাদুঘরে। বর্তমানে কিমিকো কাজ করছেন তার পরবর্তি প্রদর্শনীর জন্য হবে ‘Tokyo’s Epson epsite imaging gallery’ তে। তার এই প্রদর্শনীর নামকরণ করা হয়েছে ‘Asobokane’, যার অর্থ- “চলো খেলা করি।”

Comments

comments

একটি উত্তর লিখুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

nineteen − 18 =